বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরে রনবলিয়ায় তিন ভাইকে বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টা 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২২, ৪:১৬ পিএম
শাহমাহমুদপুরে রনবলিয়ায় তিন ভাইকে বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টা 
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন এর ৯নং ওয়ার্ডের রনবলিয়া গ্রামের হাজী বাড়ির হাজী মোঃ মুকবুল হোসেনের তিন ছেলের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে হয়রানি চেষ্টা করা হচ্ছে, বাড়ির সম্পত্তিগত জের ধরে মিথ‌্যা মামলা, হামলা হুমকি অব্যাহত রেখেছে।
দীর্ঘদিন তারা চট্টগ্রামে বসবাস করার কারনে বাড়ির সম্পত্তিগুলো লুটপাট ও দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে একই বাড়ির নুরুল ইসলামের মে‌ঝো ছেলে বিল্লাল হো‌সেন ওর‌ফে পাঙ্কু বিল্লাল গং।
জানা যায়, হাজী মোঃ মুকবুল হোসেনের তিন ছেলে দীর্ঘদিন বাড়িতে অবস্থান না করায় তাদের সম্পত্তি গুলো এক‌টি পক্ষ দখলের পায়তারা কর‌ছে, সম্প্রতি তাদের বাড়ির সম্পত্তির ‌(‌বি এস খ‌তিয়ান নং ৮২) কিছু অংশে বেড়া দিয়ে অ‌বৈধ দখল এড়া‌নোর চেষ্টা করায় সক্রিয় হয়ে উঠে নুরুল ইসলামের মে‌ঝে ছেলে বিল্লাল হো‌সেন ও তার অনুসারীরা। তারা বিভিন্ন অপকৌশলের চেষ্টা করে হাজী মুকবুল হোসেনের ছেলেদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয় এমন কর্মে করার চেষ্টা করছে।
এছাড়াও হাজী মোঃ মুকবুল হোসেনের তিন ছেলের অজান্তে মিথ‌্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছে,এমতাবস্থায় এলাকাবাসীর ম‌ধ্যে চাপা ক্ষোভ বিদ‌্যমান র‌য়ে‌ছে।চট্টগ্রামে হাজী মুকবুল হোসেনের ছেলেরা বসবাস করার কারণে এলাকার মানুষের  কোন প্রকার অমঙ্গল হয় এমন কোনো কাজের সাথে সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু সম্পত্তিগত জের ধরে নুরুল ইসলামের মেঝো ছেলে ‌বিল্লাল হো‌সেন নতুন কলা-কৌশলের ছক আঁকার পরিকল্পনা তিল পরিমাণ কমতি না রেখে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে হাজী মুকবুল হোসেনের তিন ছেলে মানবেতর জীবনযাপন করছে, তাদের কড়া আকরাসল থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ ও অন‌্যান‌্য আরও গন‌্যমান‌্য ব‌্যা‌ক্তি বর্গ কয়েকদফা দেন-দরবার করলে সমাধানে আসতে পারেননি নুরুল ইসলামের মেঝ ছেলে বিল্লাল হো‌সে‌নের কারণে এমনটি অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন হাজী মুকবুল হোসেনের ছেলেরা।
এ বিষয়ে হাজী মুকবুল হোসেনের ছেলেরা বলেন,আমরা শান্তিপ্রিয়, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে চাই, পেশাগত কারণে আমরা সবাই বাড়িতে তেমন যাওয়া হয়নি, থাকা হয়নি,  এ সুযোগে একটি চক্র কাজে লাগিয়ে, তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি চেষ্টা করছে।
এমন পরিস্থিতিতে হাজী মুকবুল হোসেনের ছেলেরা বেকায়দায় পড়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে নুরুল ইসলামের মে‌ঝো ছেলে  বিল্লাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।