বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে ভাংচুর থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ৩:৪১ পিএম
ফরিদগঞ্জে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে ভাংচুর থানায় অভিযোগ

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সম্পত্তিগতগত বিরোধের জেরধরে সন্ত্রাসী হামলা করে রান্না ঘর ভাংচুর করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে ২ জন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে মো. মুসা মিয়া ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, উপজেলার রুপসা উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিন বদরপুর এলাকার আমিরুদ্দিন বাড়ির মৃত আঃ জলিল মিয়ার ছেলে মোঃ মুছা মিয়া (৪১) তার বসত ঘর সংলগ্ন পৈত্রিক সম্পত্তিতে রান্না ঘর ও টিউবওয়েল বসিয়ে তা ব্যবহার করে আসছিল।

২৯ এপ্রিল শুক্রবার সকালে একই বাড়ির মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে লোকমান হোসেন (৬০), লোকমান হোসেনের ছেলে নাছির উদ্দিন (২৩), মৃত- খলিলুর রহমানের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫০), লোকমান হোসেনের স্ত্রী মুরশিদা বেগম (৪৫) তাদের সম্পত্তি দাবী করে জোর পূর্বক বহিরাগত কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে রান্না ঘর ও টিউবওয়েল ভাংচুর করে নিয়ে যায়। এ সময় বাঁধা দিতে গেলে মৃত- আঃ জলিলের স্ত্রী ফুল বানু (৬০), মেয়ে তাহেরা বেগম (২৮) গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় তাহেরা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। বর্তমানে তাহেরা বেগম হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় রয়েছেন এবং ফুল বানুকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে মো মুসা মিয়া বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে রান্না ঘর নির্মান ও টিউবওয়েল বসিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করে আসছি। কিন্তু লোকমান গংরা তাদের সম্পত্তি দাবী করে বহিরাগত সন্ত্রাসীসহ আমাদের রান্না ঘর ও টিউবওয়েল ভাংচুর করে নিয়ে যায়। এ সময় আমরা বাঁধা দিতে গেলে তারা আমার মা এবং বোনকে আহত করে। এ ঘটনায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি এবং সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।

Model Hospital

এ বিষয়ে লোকমান হোসেন বলেন, মুছারা নিজেদের ঘর ভেংঙ্গে আমাদের উপর দোষ দিচ্ছে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, শুক্রবারে আমাদের এই জায়গা নিয়ে স্থানীয় ভাবে বৈঠকের কথা ছিল। মুছা ও তার ভাই না বসায় এই ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে গতকাল রাতে লোকমানদের পাকঘর ও খেরের পারায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় থানয় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে লোকমান। তবে স্থানীয়রা অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে করছেন।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, উক্ত ঘটনায় উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।