বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জগতপুর একতা-বন্ধনের ৪০ টি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মে, ২০২২, ৬:১১ পিএম
জগতপুর একতা-বন্ধনের ৪০ টি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ
আবু সাঈদ : কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের বেসরকারি সামাজিক সংগঠন “একতা-বন্ধন”। গত দুই বছর ধরে তারা বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম করে আসছে। অসহায় রোগীদের জন্য ক্যাম্পেইন, রক্তদান, এতিম মাদ্রাসার বাচ্চাদের খাবারের আয়োজনসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে এই সংগঠন জড়িত। মূলত এই সংগঠন পরিচালিত হচ্ছে এলাকার কিছু মেধাবী যুবক ছেলেদের দ্বারা।
এই বছর ২৫ রমজানে তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে সিলেক্ট করে মোট ৪০ টি পরিবারের মাঝে “ঈদ বস্ত্র এবং ঈদ সামগ্রী ” উপহার দেয়। সন্ধ্যায় তারা জগতপুর বাজারে এই আয়োজন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি সাগর হোসেন মিল্লাত, সিনিয়র সহ সভাপতি  আহমেদ রাজন, সহ সভাপতি আল হাসান নাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাতুল ইসলাম হৃদয়সহ সংগঠনের দায়িত্বশীল সদস্যরা।
সংগঠনের সহ সভাপতি আল হাসান নাহিদ বলেন, আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় অনেকেই শরিক হয়েছে তাই সবাইকে ধন্যবাদ। সামনে আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াবে একতা-বন্ধন। ” যেহেতু অনেকেই সহযোগিতা করেছেন তাই তিনি বিষয়টির স্বচ্ছতার রক্ষার্থে আরও বলেন, এইবার তাদের প্যাকেজটি ঈদ সামগ্রী  হিসেবে ছিলো, তিন প্যাকেট সেমাই, এক কেজি চিনি, এক প্যাকেট দুধ,  ফ্যামিলি প্যাক নুডলস,  বাদাম এবং কিসমিস। এবং ঈদ বস্ত্র হিসেবে একটি লুঙ্গী ও শাড়ি।
প্রকৃতির পথে, মানবতার স্বার্থে একতা-বন্ধন এর কার্যক্রম চলবে বলে সংগঠনের দায়িত্বশীলরা আশা ব্যক্ত করেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।