বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘূর্ণিঝড় অশনি; মতলব উত্তরের কৃষকদের আগাম ধান কাটার পরামর্শ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মে, ২০২২, ২:৩৭ পিএম
ঘূর্ণিঝড় অশনি; মতলব উত্তরের কৃষকদের আগাম ধান কাটার পরামর্শ

মতলব উত্তর ব্যুরো : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’-তে রূপ নিয়েছে। এ কারণে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় বোরো আবাদকারী কৃষকদের আগাম ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে ৮০ শতাংশ ধান পেকেছে, এমন জমির ধান কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। এ অবস্থায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে অধিকাংশ জমির ধান এখনো ভালোভাবে না পাকায় অনেক কৃষক হতাশ হয়ে পড়েছেন।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতর জানিয়েছে, চলতি বছর মতলব উত্তরে ৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা বোরো আবাদের দিকে ঝুঁকছেন।

উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের কৃষক ইসমাঈল হোসেন বলেন, এ বছর প্রায় ৩ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এখন ধান কাটতে হচ্ছে। তবে আর দু-এক সপ্তাহ পর কাটলে ভালো হতো।

Model Hospital

ওটারচর এলাকার কৃষক আতাউর রহমান সরকার বলেন, এ বছর ছয় একর জমিতে বোরো আবাদ করেছি। ক্ষেতের ধান এখনো কাঁচা। তবে ঘূর্ণিঝড়ের আগে ধান ঘরে তুলতে না পারলে লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আমন ধান কাটার পর এ অঞ্চলের কৃষকরা জানুয়ারিতে পুনরায় বীজতলা তৈরি করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে ধান রোপণ করেন। মে মাসের শেষের দিকে কৃষকরা পাকা ধান সংগ্রহ করেন। তবে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস থাকায় আগেভাগেই কৃষকদের ধান কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে বোরো চাষিদের ধান কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৮০ শতাংশ ধান পেকেছে, এমন বোরো জমির ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে কৃষকদের।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।