বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হোসেনপুরে অপরিকল্পিতভাবে ফসলি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের পাঁয়তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ৩:১২ পিএম
হোসেনপুরে অপরিকল্পিতভাবে ফসলি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের পাঁয়তারা
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের হোসেনপুরে অপরিকল্পিতভাবে ফসলি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের পাঁয়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে, একটি চক্র তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য ফসলি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে  ফসলী জমির মালিকগন অভিযোগ করেছে।
এ রাস্তা নির্মাণ না করার জন্য আদালত স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। জনগুরুত্বহীন এ রাস্তা নির্মাণ করার চেষ্টা করায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, হোসেনপুর গ্রামের আলপু মাল, ফারুক মাল তারা দু’জন তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য একই এলাকার মনির মাল গংদের ফসলি জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার পাঁয়তারা লিপ্ত রয়েছে। বিভিন্ন অপকৌশল তারা অব্যাহত রেখেছে। নিরুপায় হয়ে মনির মালগং আদালতের আশ্রয় নিয়েছে। আলফু ও ফারুক মাল তারা তাদের বাড়ির সাথে পাকা রাস্তার সাথে সংযুক্ত না করে উল্টো দিক দিয়ে ফসলী জমি নষ্ট করার জন্য রাস্তা নির্মাণের চেষ্টার কারনে এলাকাবাসীর মাঝে নানাহ প্রশ্ন বিরাজ করছে। কোন অদৃশ্য খুঁটির কারনে তারা এ ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, এ নিয়ে ও নানাহ প্রশ্ন সর্বস্তরের মানুষের মাঝে বিরাজ করছে। মনির মাল গংদের ৪৮ শতাংশ জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মান না করতে পারে সে জন্য তারা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে। আদালত তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উল্লেখিত স্থানে কোন কিছু না করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও দিয়েছেন।
ফসলী জমির মালিক মনির মাল জানান, আমরা রাস্তা নির্মাণের বিরুদ্ধে নই, তাদের বাড়ির পাশেই পাকা রাস্তা রয়েছে, সেখান দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করে আমাদের ফসলি জমির উপর দিয়ে অযৌক্তিকভাবে রাস্তা নির্মাণ করার কেন চেষ্টায় রয়েছে, তাদের একটাই উদ্যেশ্য তারা আমাদের সাথে বাকবিতর্কসহ ঝগড়ায় লিপ্ত থাকাসহ   আমাদের সম্পত্তি বেদখল করতে একটি চক্রের ইঙ্গিতে তারা এ চেষ্টা করছে।
সরকার যেখানে ফসলী জমি রক্ষা করার জন্য বলেছেন, সেখানে কোন ইংগিতে তারা এ কাজ করছে।
এ বিষয়ে আলফু ও মনির মালের সাথে যোগাযোগ করে তাদের পাওয়া যায়নি।
ফসলি জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার জন্য মনির পরিবার গং জেলা প্রশাসক, সদর ইউএনও, এসিল্যান্ড ও ইউপি চেয়ারম্যানের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।