বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেনের রামপুরে মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫:২৭ পিএম
চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেনের রামপুরে মতবিনিময়

স্টাফ রির্পোটার : আগামী ১৭ অক্টোবর চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টায় সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ জাকির হোসেন প্রধানীয়া আনারস প্রতীকের সমর্থনে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সাথে মতবিনিময় করছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারম্যান আল মামুন পাটওয়ারী, সচিব মুহাম্মদ রাকিবুল হাসান, ইউপি সদস্য নুরে আলম, আফরোজা বেগম, শাহীনা বেগম, সুলতানা বেগম, মোঃ সেলিম মিয়া, আবু সায়েদ বেপারী,  আবুল বাশার, সাকিবুল হাসান খান, মহসিন খান,
হোসেন আহমেদ দুলাল, মোঃ রিপন পাটওয়ারী, মোঃ জসিম তালুকদার, মোহাম্মদ মাসুদ মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, হুমায়ুন কবির, কাজী সোহরাব হোসেন, আনোয়ার প্রমুখ।

জাকির হোসেন প্রধানীয়ার বলেন, আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজ এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন গ্রামের জনগণের সেবা করে যাচ্ছি। আমি জনগণের সেবক হিসেবে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করতে চাই। সেজন্যই জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমি সকল জনপ্রতিনিধিনের আকুণ্ঠ সমর্থন চাই। আমি নির্বাচিত হলে দল ও মতের উর্ধ্বে থেকে কাজ করবো।

খোঁজ নিয়ে জান যায়, জাকির হোসেন সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। অসহায় নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে তাদের সহায়তা করেছেন।

Model Hospital

জাকির হোসেন আগামী ১৭ই অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তাকে সমর্থনও ভোট দেওয়ার আহবান জানান। পরে তিনি কল্যাণপুর, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সহ অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সাথে মত বিনিময় করেন।

কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৬ পিএম
কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ
কচুয়ায় একটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং একপেশে প্রতিবেদন দাখিলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামলার বাদী মোছা. আছমা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ কচুয়া আমলি আদালতে ২৫৩/২০২৫ নম্বর মামলা হিসেবে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন আছমা। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডি চাঁদপুরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম।
বাদীর অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ওই কর্মকর্তা ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি টাকা দেওয়ার জন্য তাকে চাপ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই না করেই একপেশে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬ আইজিপির দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দেন বাদী। এতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং অন্য কোনো নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
বিবাদী আসমা আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমার সন্তানের হত্যাকারীর বিচারের জন্য মামলা দায়ের করলে, সরজমিনে তদন্ত জন্য আদালত নির্দেশ দেয়। পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম মামলা তদন্ত করতে আসলে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। আমরা টাকা দেওয়ার পরও বিবাদীর কাছ থেকে আরো অধিক সুবিধা নিয়ে  একতরফা তদন্ত রিপোর্ট দেয়। আমি ন্যায় বিচারের জন্য আদালত, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।