রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেনু মিয়া ও আ.লীগ নেতা রহমান হাজারীর ইন্তেকাল ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২, ৪:০১ পিএম
কচুয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেনু মিয়া ও আ.লীগ নেতা রহমান হাজারীর ইন্তেকাল ইন্তেকাল

মোঃ রাছেল : কচুয়া পৌর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া (৬২) সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় নিজ বাড়িতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান (ইন্না…. রাজিউন)।

মঙ্গলবার বাদ জোহর কচুয়া বড় মসজিদ প্রাঙ্গনে প্রথম জানাযা ও বিকাল ৩টায় মরহুমের নিজ গ্রামে লুন্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ২য় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থনে দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,চার মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তাঁর জানাযা সমূহে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গসহ এলাকার বিপুল সংখ্যক লোকজন অংশ গ্রহন করে। রেনু মিয়ার মৃত্যুতে তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন, কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির, প্যানেল চেয়ারম্যান সুলতানা খানম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ প্রমুখ।

আওয়ামী লীগ নেতা রহমান হাজারীর ইন্তেকাল

কচুয়া উপজেলার ১০ গোহট উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান হাজারী (৭২) সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টায় নিজ বাড়িতে হার্ট এ্যাটাকে মারা যান (ইন্না…. রাজিউন)।

Model Hospital

মঙ্গলবার বাদ জোহর জানাযা শেষে মরহুমকে তাঁর খিলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থনে দাফন করা হয়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ১ ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তাঁর জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার বিপুল সংখ্যক লোকজন অংশ গ্রহন করে। রহমান হাজারীর মৃত্যুতে তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন, কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান  শিশির, প্যানেল চেয়ারম্যান সুলতানা খানম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটওয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ ও ১০নং গোহট উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।