শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

‘রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১:৫৬ পিএম
‘রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন’

অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশ হয়েছে প্রতিশ্রুতিশীল লেখক মিজানুর রহমান রানা’র মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস ‘রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রিয় বাংলা প্রকাশনী।

ঢাকায় অমর একুশে বইমেলার ৫৯৭-৫৯৮ নম্বর স্টল ও চট্টগ্রাম বইমেলায় ১২৮ নম্বর স্টলে বইটি পাওয়া যাচ্ছে।

‘রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন’ বইটি মূলত চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ ও কুমিল্লা অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। চাঁদপুর ও হাজীগঞ্জ অঞ্চলের তৎকালীন দুর্ধর্ষ রাজাকার বাচ্চুর মুক্তিযুদ্ধকালীন চরম নৃশংসতা বাস্তবতার নিরিখে উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে। ক’জন মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেমের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ রণাঙ্গনের কাহিনি ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা পরবর্তীতে বীরাঙ্গনাদের অপ্রাপ্তি এবং সবশেষে জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার উদারতাকে প্রকাশ করা হয়েছে।

মিজানুর রহমান রানা ১৯৯৪ সাল থেকে লিখে চলেছেন। তিনি স্থানীয় দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের সাহিত্য পাতার বিভাগীয় সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও দৈনিক চাঁদপুর প্রবাহ’র যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ-এর যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক মেঘনাবার্তার বার্তা সম্পাদক, চাঁদপুর টাইমস-এর সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে চাঁদপুর রিপোর্টের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Model Hospital

তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম ‘নীল জোছনা’। নীল জোছনা লেখার পর বার বছর বিরতি নিয়ে এবারের বইমেলায় প্রকাশ করেছেন ‘রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন’ বইটি।

‘রক্তে রঞ্জিত ধূসর পদচিহ্ন’ বইটি ১৯২ পৃষ্ঠা। মূল্য ৪৮০ টাকা। তবে রকমারীতে ১২০ টাকা ছাড়ে ৩৬০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। বইটির প্রকাশক ও প্রচ্ছদ এঁকেছেন জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া।

বইটিতে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটসহ প্রেম-ভালোবাসা ও প্রতিশোধ গল্পেরই ঘটনা প্রবাহর ভিন্নতা এবং এক টানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলার মতো। দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের কাহিনির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত পাঠকের মনে দাগ ফেলে যাবে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।