বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘স্যার’ নয়, ভাই ডাকুন’ নোটিশে প্রশংসিত উপজেলা চেয়ারম্যান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩, ৬:২৩ পিএম
‘স্যার’ নয়, ভাই ডাকুন’ নোটিশে প্রশংসিত উপজেলা চেয়ারম্যান

মনিরুল ইসলাম মনির : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস ‘স্যার’ না বলার জন্য অনুরোধ জানিয়ে কার্যালয়ের সামনে নোটিশ লাগান।

এ নোটিশটি তিনি গত ২০২২ সালের ২৯ আগস্ট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ের সামনে লাগালেও আলোচনায় আসেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওমর ফারুককে রংপুরের জেলা প্রশাসককে ‘স্যার’ বলতে বাধ্য করায় তিনি অবস্থান কর্মসূচি পালন করার পর থেকে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ কুদ্দুস শনিবার নিজ ফেইসবুক পেইজে পুনরায় তিনি পোস্ট করেন। এর পর থেকে ফেসবুক পেইজে বিভিন্ন কমেন্ট আসতে থাকে।

এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাবার সময় থেকে আমার চলাফেরা। একটা আবেগ কাজ করে আমার মাঝে। তারা যখন আমাকে ‘স্যার’ বলেন তখন নিজের কাছে বিব্রত বোধ করি।

তিনি আরও বলেন, অনেকে হয়তো চিন্তা করতে পারেন যে আমি অনেক বড় একটা পদে আছি আমাকে স্যার বলা খুব দরকার। কিন্তু আসলে তা নয়, আমি আসলে জনগণের সেবক হিসেবে থাকতে চাই। জনগণের ভাই বন্ধু, কারো মামা, কারো কাকা হিসেবেই থাকতে চাই। কেউ ‘স্যার’ বললে নিজের কাছে তখন ছোট মনে হয়। কারণ এসব সাধারণ জনগণের সঙ্গে আমার বেড়ে ওঠা।

Model Hospital

এমএ কুদ্দুস বলেন, কোনো ঘটনার কারণে আমার এই নোটিশ জারি নয়। সাম্প্রতিক ওই ঘটনা ঘটার আরও অনেক আগেই আমি এই নোটিশ জারি করেছি। আমি চাই জনগণের সঙ্গে আমার ভালোবাসার সম্পর্কটা সবসময় অটুট থাকুক।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস তার পরিষদে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোটিশ জারির মাধ্যমে স্যার না ডাকার জন্যে সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করেন। সে নোটিশ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয় শনিবার (২৫ মার্চ)। সেখানে তিনি লিখেন ‘আসসালামু আলাইকুম, আমার নির্বাচনী এলাকার সকল সাধারণ জনগণকে আগেও বিনীত অনুরোধ করেছি, আমাকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন না করার জন্য। আমি আপনাদের ভাই, বন্ধু, আপনাদের সেবক এবং আপনাদের সেবক হয়েই থাকতে চাই।

বীর মুক্তিযোদ্ধার এমন নোটিশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুবই প্রশংসিত হয়েছে। তার এই ফেসবুক পোস্টে শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা, সাধারণ অনেক লোক কমেন্ট করে ধন্যবাদ জানান।

কয়েকটি কমেন্ট তুলে ধরলাম
শিকদার হালিম লেখেন, ‘যে দেশে স্যার ডাক শুনতে নিম্ন্ন গ্রেডের কর্মচারীরাও ব্যতিব্যস্ত, সে দেশেই একজন সম্মানিত পদস্থ ব্যক্তির কি সুন্দর অনুরোধ! দল-মত নির্বিশেষে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধেয় চেয়ারম্যান মহোদয়ের প্রতি অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও শুভ কামনা।’
মো. সারওয়ার হোসেন লেখেন, ‘একজন ভালো মনের মানুষের কথা এমনটাই হয় ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা বড় ভাই আপনাকে আল্লাহতালা আপনাকে নেক হায়াত দান করুক আমিন।’

মতিন দেওয়ান লেখেন, ‘একজন সম্মানিত ব্যাক্তি হলো আল্লাহর দেয়া। সম্মান তবে আপনার তুলনা আপনি নিজেই মহান আল্লাহ যেন সুস্থতার সাথে দীর্ঘায়ু দান করেন আমিন।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital