রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মালয়েশিয়ার মাহসা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ফাইয়াজ নির্বাচিত

মুছা তপদার প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩, ৮:২৫ পিএম
মালয়েশিয়ার মাহসা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ফাইয়াজ নির্বাচিত
মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় মাহসা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউন্সিল-২০২৩ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশী শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন এস এম ফাইয়াজ আলম।
প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ‘হেড অব ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো’ পদে জয়লাভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির আইটি বিভাগে অধ্যয়নরত এই বাংলাদেশী শিক্ষার্থী।
গত সোমবার (১৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যানিটি বিল্ডিংয়ে স্পাইন লেভেলের ২য় তলায় স্টুডেন্টস সেন্ট্রাল মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়টির হেড অব স্টুডেন্ট সেন্ট্রাল মিস হেমা এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট হেড মিস ফাতিহা ইরা নির্বাচিত ক্যান্ডিডেটদের নাম ঘোষনা করেন।
মালয়েশিয়ার মাহসা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট বশির ইবনে জাফর নব নির্বাচিত ফাইয়াজের বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, ফাইয়াজের এই অর্জনটি তার নিজের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কর্মজীবনে এখানকার অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা তাকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখবে।
তাছাড়া নিঃসন্দেহে তার এই অর্জন পুরো বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি গর্বের বিষয় যে সে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নিজের দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে তার নেতৃত্বের দ্বারা। বিদেশে পড়তে এলে শিক্ষার্থীদের এমনই হওয়া উচিত। তারা নিজের দেশকে যেমন বিশ্ববাসীর কাছে এগিয়ে রাখবে তেমনই নিজেকেও প্রতিষ্ঠানের সেরা জায়গাটিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে।
উল্লেখ্য, এস এম ফাইয়াজ আলম ২০২১ সালে বাংলাদেশের চাঁদপুর আলামিন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর উচ্চশিক্ষায় মালয়েশিয়ায় আসেন। তার বাবা মুহা. খাইরুল আলম একজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, এক্সট্রাকারিকুলার এক্টিভিটিস এবং আগামীর যোগ্য নেতৃত্ব গড়ার লক্ষে মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সকল দেশের শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রতি বছর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
এ বছর মোট ১২টি ভিন্ন ভিন্ন পদের জন্য ৫০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচনে অংশ নেন। এর মধ্য থেকে অনলাইন এবং সশরীরে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে ১২টি পদের জন্য ১২ জনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে ইলেকটোরাল কমিটি। আগামী এক বছর বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন কাজে শিক্ষার্থীদের হয়ে কাজ করবে এই কমিটি।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।