শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ভ্যাপসা গরমে চাঁদপুরে তালের শাঁস বিক্রির ধুম

মো: মুছা তপদার প্রকাশিত: শনিবার, ২০ মে, ২০২৩, ১১:০৭ পিএম
ভ্যাপসা গরমে চাঁদপুরে তালের শাঁস বিক্রির ধুম
গ্রীষ্মের ভ্যাপসা গরমে চাঁদপুরে বেড়েছে তালের শাঁসের চাহিদা। গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে রসালো ফলের পাশাপাশি রাস্তার পাশে ফুটপাতে বিক্রি হওয়া এই কচি তালের শাঁসের স্বাদ নিচ্ছেন অনেকেই। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে।
বর্তমানে শহর থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন অলি-গলি, পাড়া-মহল্লাতে বেড়ে গেছে এই মৌসুমী ফলের বিক্রি। অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ীরা তাল গাছ থেকে অপরিপক্ত তাল ফল পাইকারী কিনে এনে বিভিন্ন দামে বিক্রয় করে থাকেন।
চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে তালের শাঁস বিক্রির জন্য প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ে বসছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার (১৯ মে) বিকেলে চাঁদপুর শহরের ১০ নম্বর চৌধুরী ঘাট এলাকায় কয়েকটি ফলের আড়তে জেলার বিভিন্নস্থান থেকে সরবরাহকৃত তালের শাঁস পাইকারি ও খুচরা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
চৌধুরী ঘাট এলাকার মেসার্স গাজী এন্টারপ্রাইজের আড়ৎদার শাহাজাহান গাজী বলেন, গ্রীষ্মের ভ্যাপসা গরমে রসালো ও পানীয় ফল বেশি চলে। আমরা চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামাঞ্চল থেকে গাছ হিসেবে কচি তাল ক্রয় করি। এরপর আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি দরে বিক্রি করি।
তিনি জানান, এক আটি (পীড়) তাল ১০০ থেকে ১৫০ এবং সর্বনিন্ম ৬০ টাকা ধরে বিক্রি করেন।শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে দেখা গেছে মৌসুমি এই ফল কেউ কিনে দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন, কেউবা নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। এসব দোকানে ছোট-বড় সব শ্রেণী-পেশার মানুষ তালের শাঁস কিনতে ভিড় করছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছে একেকটি কচি তাল ২৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩০/৪০ টাকা দামে বিক্রি করছেন।
চিকিৎসকদের মতে, গরমে তালের শাঁস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই সঙ্গে বাড়বে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়।
তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। তাই আমাদের সকলকে এই তালের চারা রোপণে উৎসাহিত করতে হবে। পরিবেশবান্ধব এই গাছটি পরিবেশের জন্য অতি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ভ্যাপসা গরমে চাঁদপুরে বেড়েছে তালের শাঁসের চাহিদা। গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে রসালো ফলের পাশাপাশি রাস্তার পাশে ফুটপাতে বিক্রি হওয়া এই কচি তালের শাঁসের স্বাদ নিচ্ছেন অনেকেই। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে।
বর্তমানে শহর থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন অলি-গলি, পাড়া-মহল্লাতে বেড়ে গেছে এই মৌসুমী ফলের বিক্রি। অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ীরা তাল গাছ থেকে অপরিপক্ত তাল ফল পাইকারী কিনে এনে বিভিন্ন দামে বিক্রয় করে থাকেন।
চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে তালের শাঁস বিক্রির জন্য প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ে বসছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার (১৯ মে) বিকেলে চাঁদপুর শহরের ১০ নম্বর চৌধুরী ঘাট এলাকায় কয়েকটি ফলের আড়তে জেলার বিভিন্নস্থান থেকে সরবরাহকৃত তালের শাঁস পাইকারি ও খুচরা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
চৌধুরী ঘাট এলাকার মেসার্স গাজী এন্টারপ্রাইজের আড়ৎদার শাহাজাহান গাজী বলেন, গ্রীষ্মের ভ্যাপসা গরমে রসালো ও পানীয় ফল বেশি চলে। আমরা চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামাঞ্চল থেকে গাছ হিসেবে কচি তাল ক্রয় করি। এরপর আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি দরে বিক্রি করি।
তিনি জানান, এক আটি (পীড়) তাল ১০০ থেকে ১৫০ এবং সর্বনিন্ম ৬০ টাকা ধরে বিক্রি করেন।শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে দেখা গেছে মৌসুমি এই ফল কেউ কিনে দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন, কেউবা নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। এসব দোকানে ছোট-বড় সব শ্রেণী-পেশার মানুষ তালের শাঁস কিনতে ভিড় করছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছে একেকটি কচি তাল ২৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩০/৪০ টাকা দামে বিক্রি করছেন।
চিকিৎসকদের মতে, গরমে তালের শাঁস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই সঙ্গে বাড়বে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়।
তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। তাই আমাদের সকলকে এই তালের চারা রোপণে উৎসাহিত করতে হবে। পরিবেশবান্ধব এই গাছটি পরিবেশের জন্য অতি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।