বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মসজিদের মাইক চুরি করতে গিয়ে ধরা খেল ইমাম, পরে পুলিশে সোপর্দ

মো. মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩, ৯:৩৭ পিএম
শাহরাস্তিতে মসজিদের মাইক চুরি করতে গিয়ে ধরা খেল ইমাম, পরে পুলিশে সোপর্দ
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মোঃ ফজলে রাফি ২৩ নামের এক মসজিদের ইমামকে মাইক চুরির অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
শনিবার সকালে অভিযুক্ত ওই ইমাম রাফিকে  শাহরাস্তি থানা পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরন শেষে চাঁদপুর আদালতে  প্রেরন করে। আটকৃত ইমাম উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিন ইউপির নাহারা  মিয়াজীর  বাড়ীর সেলিম মিয়াজীর পুত্র মোঃ ফজলে রাফি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রজানায়, উপজেলার পাথৈর দক্ষিণ দৈয়ারার উত্তরে মেইন রাস্তার শহিদ মিয়ার জামে মসজিদের খতিব তিনি।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চিতোষী পশ্চিম ইউপির  হাঁড়িয়া বড় বাড়ি জামে মসজিদে  মাইক ও বৈদ্যুতিক পাখা নিয়ে কেটে পড়ার সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে দেয়। ওই সংবাদ চাউর হলে শাহরস্তি উঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই আনোয়ার ও সঙ্গীও ফোর্স অভিযুক্ত রাফিকে উদ্ধার করে শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে  শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ  ওসি মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে অভিযুক্ত রাফি দায় স্বীকার করেছে।
এ বিষয়ে ৫৪ ধারা- কাঃ বিঃ অনুযায়ী শাহরাস্তি থানায় একটি মামলা রজু করা হয় যার নং ০৯ তারিখ২১.০৭.২৩।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।