বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রহিমানগরে গণসংযোগ ও পথসভা

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের

মো: রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৭:৫০ পিএম
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ভোট গ্রহন শুরু হচ্ছে ৪ মে থেকে। ৪ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন।

প্রথম ধাপে ৪ মে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোট ১১ মে । তৃতীয় ধাপ ১৮ মে ও চতুর্থ ধাপে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে ২৫ মে।

গত মঙ্গলবার ইসি সচিব মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, কচুয়া তৃতীয় ধাপ ১৮ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই কচুয়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান পদ- প্রার্থীরা নড়ে চড়ে বসেছে এবং গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস -চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করে কচুয়া পৌর বাজার থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মোটর শোডাউনের মাধ্যমে চমক সৃষ্টি দেখায়। মোটর শোডাউনটি কচুয়ার দক্ষিণ প্রান্ত রহিমানগর বাজারে গণসংযোগ ও পথসভায় মিলিত হয়।

Model Hospital

কচুয়ার দক্ষিণ অঞ্চল ৯, ১০, ১১, ১২ ইউনিয়ন নিয়ে ঘটিত। এই চার ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে রহিমানগর মুন্সী টাওয়ারের সামনে পথসভায় মিলিত হয়।

গণসংযোগ ও পথ সভার পূর্বে রহিমানগর মুন্সী টাওয়ারের সামনে থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব আলমের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি রহিমানগর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় একইস্থানে এসে পথ সভায় মিলিত হয়।

পথসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মাহবুব আলম বলেন- আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার প্রয়াত বাবা ইদ্রিস আলম বেপারী থেকে শুরু করে বড় ভাই সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ভাবী মাহিনুর আক্তার মিলি সকলেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে কচুয়ার মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তারই ধারবাহিকতায় আমি শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও চাকরিতে প্রবেশ না করে কচুয়ার মানুষের সেবা করার প্রত্যয়ে ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করি।

বিগত ৫ বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে পরিষদের বাহিরেও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কচুয়ার মানুষকে সার্বিকভাবে সেবা সহযোগিতা করেছি। আমি কখনো কাউকে বিমূখ করিনি। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি মহোদয়ের রাজনৈতিক আদর্শে আদর্শিত হয়ে কচুয়ায় রাজনীতি করি। ড. সেলিম মাহমুদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি আমার প্রার্থীতা ঘোষণা করছি। আপনারা আমাকে দোয়া ও সমর্থন দিবেন।

পথ সভায় বক্তব্য রাখেন- কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সওদাগর, গোহট উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান মুন্সী ও সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি পলাশ, আশ্রাফপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. শিপন রানা প্রমুখ।

এসময় ৪টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital