ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
রহিমানগরে গণসংযোগ ও পথসভা

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ভোট গ্রহন শুরু হচ্ছে ৪ মে থেকে। ৪ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন।

Model Hospital

প্রথম ধাপে ৪ মে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোট ১১ মে । তৃতীয় ধাপ ১৮ মে ও চতুর্থ ধাপে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে ২৫ মে।

গত মঙ্গলবার ইসি সচিব মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, কচুয়া তৃতীয় ধাপ ১৮ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই কচুয়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান পদ- প্রার্থীরা নড়ে চড়ে বসেছে এবং গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস -চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করে কচুয়া পৌর বাজার থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মোটর শোডাউনের মাধ্যমে চমক সৃষ্টি দেখায়। মোটর শোডাউনটি কচুয়ার দক্ষিণ প্রান্ত রহিমানগর বাজারে গণসংযোগ ও পথসভায় মিলিত হয়।

কচুয়ার দক্ষিণ অঞ্চল ৯, ১০, ১১, ১২ ইউনিয়ন নিয়ে ঘটিত। এই চার ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে রহিমানগর মুন্সী টাওয়ারের সামনে পথসভায় মিলিত হয়।

গণসংযোগ ও পথ সভার পূর্বে রহিমানগর মুন্সী টাওয়ারের সামনে থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব আলমের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি রহিমানগর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় একইস্থানে এসে পথ সভায় মিলিত হয়।

পথসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মাহবুব আলম বলেন- আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার প্রয়াত বাবা ইদ্রিস আলম বেপারী থেকে শুরু করে বড় ভাই সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ভাবী মাহিনুর আক্তার মিলি সকলেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে কচুয়ার মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তারই ধারবাহিকতায় আমি শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও চাকরিতে প্রবেশ না করে কচুয়ার মানুষের সেবা করার প্রত্যয়ে ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করি।

বিগত ৫ বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে পরিষদের বাহিরেও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কচুয়ার মানুষকে সার্বিকভাবে সেবা সহযোগিতা করেছি। আমি কখনো কাউকে বিমূখ করিনি। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি মহোদয়ের রাজনৈতিক আদর্শে আদর্শিত হয়ে কচুয়ায় রাজনীতি করি। ড. সেলিম মাহমুদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি আমার প্রার্থীতা ঘোষণা করছি। আপনারা আমাকে দোয়া ও সমর্থন দিবেন।

পথ সভায় বক্তব্য রাখেন- কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সওদাগর, গোহট উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান মুন্সী ও সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি পলাশ, আশ্রাফপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. শিপন রানা প্রমুখ।

এসময় ৪টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

রহিমানগরে গণসংযোগ ও পথসভা

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ভোট গ্রহন শুরু হচ্ছে ৪ মে থেকে। ৪ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন।

Model Hospital

প্রথম ধাপে ৪ মে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোট ১১ মে । তৃতীয় ধাপ ১৮ মে ও চতুর্থ ধাপে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে ২৫ মে।

গত মঙ্গলবার ইসি সচিব মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, কচুয়া তৃতীয় ধাপ ১৮ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই কচুয়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান পদ- প্রার্থীরা নড়ে চড়ে বসেছে এবং গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস -চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করে কচুয়া পৌর বাজার থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মোটর শোডাউনের মাধ্যমে চমক সৃষ্টি দেখায়। মোটর শোডাউনটি কচুয়ার দক্ষিণ প্রান্ত রহিমানগর বাজারে গণসংযোগ ও পথসভায় মিলিত হয়।

কচুয়ার দক্ষিণ অঞ্চল ৯, ১০, ১১, ১২ ইউনিয়ন নিয়ে ঘটিত। এই চার ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে রহিমানগর মুন্সী টাওয়ারের সামনে পথসভায় মিলিত হয়।

গণসংযোগ ও পথ সভার পূর্বে রহিমানগর মুন্সী টাওয়ারের সামনে থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব আলমের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি রহিমানগর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় একইস্থানে এসে পথ সভায় মিলিত হয়।

পথসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মাহবুব আলম বলেন- আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার প্রয়াত বাবা ইদ্রিস আলম বেপারী থেকে শুরু করে বড় ভাই সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ভাবী মাহিনুর আক্তার মিলি সকলেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে কচুয়ার মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। তারই ধারবাহিকতায় আমি শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও চাকরিতে প্রবেশ না করে কচুয়ার মানুষের সেবা করার প্রত্যয়ে ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করি।

বিগত ৫ বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে পরিষদের বাহিরেও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কচুয়ার মানুষকে সার্বিকভাবে সেবা সহযোগিতা করেছি। আমি কখনো কাউকে বিমূখ করিনি। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি মহোদয়ের রাজনৈতিক আদর্শে আদর্শিত হয়ে কচুয়ায় রাজনীতি করি। ড. সেলিম মাহমুদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি আমার প্রার্থীতা ঘোষণা করছি। আপনারা আমাকে দোয়া ও সমর্থন দিবেন।

পথ সভায় বক্তব্য রাখেন- কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সওদাগর, গোহট উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান মুন্সী ও সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি পলাশ, আশ্রাফপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. শিপন রানা প্রমুখ।

এসময় ৪টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।