শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পিজি হাসপাতালের রেন্ট কালেক্টর (ইনচার্জ) মো. সাজেদুল হাসানের সহযোগিতায়

লিবিয়ায় নিহত কচুয়ার ইব্রাহীমের লাশ আড়াই মাস পর দাফন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪, ৩:৪৫ এম
লিবিয়ায় নিহত কচুয়ার ইব্রাহীমের লাশ আড়াই মাস পর দাফন
লিবিয়ার বেনগাজী শহরের আরবান এলাকায় দালালের খপ্পরে আটকে থাকা চাঁদপুরের কচুয়ার সফিবাদ গ্রামের শ্রমিক ইব্রাহীম ফকিরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার বাদ জোহর সফিবাদ ফোরকানিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমের জানাযা নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেন্টকালেক্টর (ইনচার্জ) মো. সাজেদুল হাসান কামাল, ইউপি সদস্য জাকির হোসেন মোল্লা ও মরহুমের আত্মীয় স্বজনসহ অন্যান্যরা।

এসময় তার জানযায় কয়েক শতাধিক মুসল্লিগন অংশগ্রহন করেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। জানা যায়, গত ১৮ জানুয়ারি স্থানীয় বাংলাদেশ সময় রাত ১টা তিনি লিবিয়ার মারা যান তিনি।

পরবর্তীতে ২০ জানুয়ারি দুপুরে উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ওই বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে এবং ঘটনার আড়াই মাস পর স্থানীয় অধিবাসী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেন্টকালেক্টর (ইনচার্জ) মো. শাজেদুল হাসানের সহযোগিতায় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে আনা হয়। ইব্রাহীম ফকির ওই গ্রামের নুরুল ইসলাম ফকিরের ছেলে। লিবিয়ায় নেওয়া দালালরা তাকে আটকে রেখে নির্যাতন ও মারধরের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি নিহতের পরিবারের।
রবিবার জানাযা শেষে মরহুমের লাশ সফিবাদ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, সফিবাদ গ্রামের দালাল চক্রের হোতা খোরশেদ আলম ইব্রাহিম ফকিরকে ইতালি নেওয়ার কথা বলে প্রায় এক বছর আগে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে কাজ না দিয়ে তাকে বদ্ধ কক্ষে আটকে রেখে টাকার জন্য নানাভাবে নির্যাতন করতো। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে খেয়ে না খেয়ে, অনাহারে মারা যান তিনি।
দালাল খোরশেদ আলমের শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। এঘটনায় নিহত ইব্রাহীম ফকিরের স্ত্রী রুজিনা বেগম বাদী হয়ে মানবপাচার মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পিবিআই পুলিশ রাকিব হোসেন (২৯) ও মিথুন মিয়া (২৮) নামে দুইজন গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital