বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে গরমে অসুস্থ হয়ে বাড়ছে নানা রোগ, চাপে আছে হাসপাতালগুলো

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪, ৭:৪২ পিএম
চাঁদপুরে গরমে অসুস্থ হয়ে বাড়ছে নানা রোগ, চাপে আছে হাসপাতালগুলো

চাঁদপুরে তীব্র তাপপ্রবাহে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মানুষ। তাদের ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা।

প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর রোগীদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে আরেক বিড়ম্বনায়।

হাসপাতালে ধারণক্ষমতার তিনগুণ রোগী থাকায় নতুন রোগীদের ঠাঁই মিলছে মেঝে ও বারান্দায়। বিপুল পরিমাণ রোগী ও তাদের স্বজনদের ভিড়ে হাসপাতালের পরিবেশও নাজুক হয়ে পড়েছে বলে জানান চিকিৎসকরা। তবে শিশুদের পাশাপাশি বয়স্করাও ভুগছেন নানা রোগে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ঘুরে দেখা যায়, রোগীর ভিড়ে পা ফেলার যায়গা নেই। জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, টাইফয়েডসহ গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টিকিট কাউন্টারের সামনে নারী-পুরুষরা ভিড় করছে।

Model Hospital

অন্যদিকে হাসপাতালের পুরুষ, শিশু ও নারী ওয়ার্ডে রোগীর চাপে হাসপাতালের করিডর ও বারান্দার মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। অতিরিক্ত রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক এবং নার্সদের।

তবে এসব বয়সের রোগীদের মধ্যে গরমে সবচেয়ে বেশি রোগী শিশু। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর প্রায় ৭০ শতাংশই শিশু। অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন রোগীর চাপ অনেক বেশি।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের মাসুম বিল্লাহ তার এক বছরের শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে চারদিন ধরে আছেন। তিনি জাগো নিউজকে জানান, গরমের কারণে মেয়ের ঠান্ডা ও নিউমোনিয়া শুরু হয়।

ডাক্তাররা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু ওয়ার্ডে অনেক রোগী, যার কারণে সেখানে সীট না পেয়ে বারান্দায় সীট দিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক পাচ্ছি। শুধু সীট না পাওয়ায় বারান্দায় থাকতে হচ্ছে।

চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন, ২৫০ শয্যার বিপরীতে হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছে ৫ শতাধিক। এর মধ্যে শিশু ওয়ার্ডে ৪২ বেডের বিপরীতে রোগী ভর্তি আছে ১৬১ জন। আমাদের চিকিৎসক ও নার্সরা সেবা প্রদানে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই গরমে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো। সবাই ছায়াযুক্ত স্থান ও বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। বিশেষ করে শিশুদের প্রতি আলাদা নজরদারি ও যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন এই চিকিৎসক।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।