শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বৈষম্য নিরসনে ৯ম ও ১০ম গ্রেডের দাবীতে হাইমচরে সপ্রাবির শিক্ষকদের  মানববন্ধন

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:৩১ পিএম
বৈষম্য নিরসনে ৯ম ও ১০ম গ্রেডের দাবীতে হাইমচরে সপ্রাবির শিক্ষকদের  মানববন্ধন
বৈষম্য নিরসনে শতবাগ বিভাগীয় পদোন্নতিসহ সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং প্রধান শিক্ষকদের ৯ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের দাবীতে  মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
 কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে বুধবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের সময় উপজেলা পরিষদ সম্মুখে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রাণের দাবী বাস্তবায়নের জন্য এ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি হাইমচর উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ আবু জাফরের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক নিশেষ নারায়নের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, নির্বাহী সম্পাদক মানিক মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য রেখে কখনো বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ হবে না। বৈষম্য মুক্ত সমাজ গঠনে সরকার বাহাদুরকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনারা প্রাথমিক শিক্ষকদের দিকে তাকান। শিক্ষকদের দিকে সু নজর না দিলে কখনো শিক্ষায় উন্নতি লাভ করবে না। দেশের যে শিক্ষার যে অগ্রসরতা বাঁধা বিগ্ম হবে। শিক্ষকরা মানুষিক ভাবে চাপে আছে, তাদেরকে চাপ মুক্ত করতে হবে। ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ডিউটি করে আমরা প্রতিদিন টিফিন ভাতা ৩০ দিনে ২শত টাকা।  প্রতিদিন ৬ টাকা করে আমাদের টিফিন ভাতা।
এট আমাদের জন্য অনেক লজ্জার বিষয়। টিফিন ভাতা বন্ধ করে দেন না হয় বন্ধ করে দেন। আমরা চাইলেই স্কুল সময়ে মানববন্ধন করতে পারতাম। স্কুল সময় শেষ করে আমরা মানববন্ধন করছি। যাতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসের কোন সমস্যা না হয়। বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও শিক্ষকরা তাদের দাবী আদায়ের জন্য রাস্তায় দাড়িয়েছে। আমরা আমাদের দাবী বাস্তবায়ন না হলে কেন্দ্র ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনু্যায়ী আরও বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দিব। এবার আমরা দাবী আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছি। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।
মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি হাইমচর উপজেলা শাখার নির্বাহী সভাপতি ইকবাল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক হেলাল মিয়া, মজিবুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক ফারজানা শাহীন, সহ সম্পাদক ফাতেমা বেগম, কামাল হোসেন, জাকারিয়া স্বপন সহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক বৃন্দ।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।