শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ : টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:১৬ পিএম
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ : টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা

২০২২ সালে এই নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এবার ছিল বাংলাদেশের মেয়েদের শিরোপা দলে রাখার লড়াই। প্রতিপক্ষ সেই নেপাল। মাঠও সেই ঐতিহাসিক কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়াম।

এবারও শতভাগ সফল হলো বাংলাদেশ। নেপালের মেয়েদের ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখলো সাবিনারা। অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়ার রানির মুকুট শোভা পেল বাংলাদেশের মেয়েদের মাথাতেই। টানা দ্বিতীয়বার সাফের চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।

দুই দলই শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্ত প্রথমার্ধে গোল আদায় করতে পারেনি গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ও রানার্স-আপ নেপাল।

শুরুতেই ভালো সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। নেপালি গোলরক্ষকের ভুলে দ্বিতীয় মিনিটে সুযোগ এসেছিল তহুরার সামনে। তহুরার শট সাইড পোস্টে লাগলে বেঁচে যায় নেপাল।

Model Hospital

১০ মিনিটে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। পাল্টা আক্রমণ করে নেপাল। আমিশা কার্কির শট পোস্টে লাগলে গোলবঞ্চিত হয় স্বাগতিক মেয়েরা। অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক খেলতে থাকলে মাঝে মধ্যে বাংলাদেশের রক্ষণ ফাঁকা হয়ে যায়। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করে নেপালের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা।

২৭ মিনিটে ভালো একটা সুযোগ পান নেপালের আমিশা। কিন্তু বল ঠিকঠাক নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড। এ সময় রক্ষণে দৃঢ়তা দেখিয়ে বাংলাদেশ নিজেদের রক্ষা করে। ৩৩ মিনিটে নেপাল বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় বাংলাদেশ। মারিয়া মান্দার শট ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ৭ মিনিটের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। একটি সংঘবদ্ধ আক্রমণে তছনছ হয় নেপালি রক্ষণ। বল ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারছিলেন না নেপালের ডিফেন্ডাররা। মনিকা চাকমা কোনো ভুল করেননি, বল জড়িয়ে দেন নেপালের জালে।

তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি বাংলাদেশ। রক্ষণের ভুলে ৫৬ মিনিটে ম্যাচে সমতা আনেন নেপালের আমিশা কারকি।

সমতায় ফেরার পর বাংলাদেশ আবার এগিয়ে যেতে মরিয়া। বাম দিক থেকে ঋতুপর্না চাকমা বারবার বল ফেলছিলেন নেপালের গোলমুখে। ৮১ মিনিটে তিনি বাম দিক দিয়ে ঢুকে দুর্দান্ত এক শট নেন। যে শট হাতে লাগিয়েও থামাতে পারেননি নেপালের গোলরক্ষক।

বল নেপালের জালে জড়িয়ে যাওয়ার সাথে উল্লাসে ফেঁটে পড়েন সাবিনারা। শেষ পর্যন্ত ওই গোল ধরে রেখে ২-১ ব্যবধান জিতে বাংলাদেশ ধরে রাখে দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের শিরোপা।

নারী ফুটবলের ইতিহাসে এ নিয়ে দুইবার নেপালকে হারালো বাংলাদেশ। দুইবারই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital