সিভিল সার্জন চাঁদপুর ডাঃ মোহাম্মদ নুর আলম দীন বলেছেন
কর্মচারীর অভাব হয়তো পূরণ হবে, কিন্তু ডাঃ তানজিনার ঘাটতি রয়ে যাবে
শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবসর উত্তর ছুটিতে গমন করায় এক ডাক্তার সহ ৪ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকেলে শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে হাসপাতাল মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

ওইদিন ডা: সারোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় এতে শাহরাস্তি স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডাঃ আকলিমা জাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন,চাঁদপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ নুর আলম দীন।

বক্তব্য বলেন, আজ যে সকল ডাক্তার ও কর্মচারী অবসর জনিত ছুটিতে গমন করেছেন, চাকরির বিধি মোতাবেক এটি একটি নিয়ম। কিন্তু মানবতার সেবায় আপনাদের অবদান এই জনপদের অধিবাসীরা কৃতজ্ঞচিত্রে অবশ্যই স্মরণে রাখবেন।

এক পর্যায়ে তিনি বলেন, তানজিনা সুলতানা সিনিয়র কনসালটেন্ট (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগ) শাহরাস্তির সন্তান ও গৃহবধূ ছিলেন।
তিনি দীর্ঘদিন এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সেবা দিয়ে আপামর জনতার ডাঃ তানজিনা হয়েছেন।
সেটি অবশ্যই যোগ্যতার মাপকাঠি,ভালোবাসা,সেবা দিয়ে এ সম্মান অর্জন সম্ভব হয়েছে।
আপনাদের ভালোবাসা দেখে মনে হয়, কর্মচারীর অভাব হয়তো পূরণ হবে, কিন্তু ডাঃ তানজিনার ঘাটতি রয়ে যাবে।
অন্য চারজন কর্মচারীর বিদায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারাও নিজ কর্মক্ষেত্রে অতন্দ্র প্রহরীর মত দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের অবদানও কোন অংশে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তাদের কে ধন্যবাদ জানাই।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন,ডা: আরএমও ডাঃ অচিন্ত্য কুমার চক্রবর্তী,ডা: আহসানুল কবির (কনসালটেন্ট, হৃদরোগ বিভাগ), ডাঃ অসিত কুমার দাস (ডেন্টাল সার্জন) ডাঃ খন্দকার আতিকুর রহমান (শিশু বিশেষজ্ঞ), ডাঃ সাইফুল ইসলাম,ডাঃ জিল্লুর রহমান ভূঁইয়া , ডাঃ ফারুক হোসেন, ডাঃ খালিদুর রহমান, ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন কনা( মেডিকেল অফিসার, হোমিওপ্যাথিক) ডাঃ মুশফেক বিন বাকের,ডা: আব্দুল্লাহ আল মামুন,ডাঃ আয়েশা সিদ্দিকা,ডাঃ মোঃ আফতাবুল আলম,ডাঃ নুরুন নবী, ডাঃ খালিদুর রহমান জিহাদসহ,উপ- সহকারী (স্যাকমো),সেবিকা, কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,ওইদিন একজন ডাক্তার সহ ৪ জন কর্মচারী অবসর উত্তর ছুটিতে গমন করেন।তারা হলেন, তানজিনা সুলতানা সিনিয়র কনসালটেন্ট,(গাইনী এন্ড অবস্), মোঃ ইব্রাহিম মজুমদার (সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক),মাহফুজা বেগম (স্বাস্থ্য সহকারী), মোঃ নূরুল আমিন (নৈশ প্রহরী),ফেরদৌসী বেগম (সহকারী বাবুর্চী)।







