বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশিত হলো কবির হোসেন মিজি’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ লাল “রঙের নামতা”

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৪১ পিএম
প্রকাশিত হলো কবির হোসেন মিজি’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ লাল “রঙের নামতা”
অমর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হলো কবি ও গীতিকার কবির হোসেন মিজি’র প্রথম কাব্যগ্রন্থ “লাল রঙের নামতা”। বইটি প্রকাশ করেছে দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান চৈতন্য প্রকাশনী। প্রচ্ছদ করেছেন কবি ও চিত্রশিল্পী নির্ঝর নৈঃশব্দ্য। জাতীয় গ্রন্থ মেলায় চৈতন্য প্রকাশনীর ৬০৭ ও ৬০৮ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে।
এছাড়াও চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়ামে বই মেলা, দোয়া গঞ্জল বুক স্টল সহ বিভিন্ন লাইব্রেরীতে বইটি পাওয়া যাবে।
কবির হোসেন মিজি বর্তমান সময়ের একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখক। সাহিত্যের বিচিত্রভূমিতে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে তার পথ চলা। তিনি গল্প, কবিতা ও ভ্রমণ সাহিত্যের পাশাপাশি গীতিকবিতায় জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তার লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল, আজাদ সুমন, রিপন রোহানসহ বরেন্য বেশ ক’জন কণ্ঠশিল্পী। ২০০৭ সালে এস ডি রুবেল এর কণ্ঠে গাওয়া তার লেখা “লাল বেনারশী” গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
কবির হোসেন মিজি পেশায় একজন গণমাধ্যমকর্মী। তিনি প্রায় দেড়যুগ সময় ধরে চাঁদপুরের স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে কাজ করছেন। দেশের জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা, লিটলম্যাগ এবং বিভিন্ন সংকলনে কবিতা, গল্প, ভ্রমন সাহিত্য ও ছড়া লিখছেন নিয়মিত।
কবিতার নন্দিত তরিতে দুই যুগের সাহিত্য যাপনের অভিজ্ঞতা থেকে ৪০ টি কবিতা স্থান পেয়েছে “লাল রঙের নামতা” কাব্যগ্রন্থে। এসব কবিতার বেশির ভাগ জাতীয় পত্রিকা ও সাহিত্যপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের অনুভূতি জানিয়ে কবির হোসেন মিজি বলেন, সাহিত্য বটবৃক্ষের সবচেয়ে সুন্দর শাখাটি হচ্ছে কবিতা। যেখানে মানুষ জীবনের সুর বা মিল খুঁজে পায়।  কবিতায় থাকে প্রেম-বিরহ, দ্রোহ-বিদ্রোহ,  হাসি-কান্না, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, সামাজ বাস্ততবতার লুকানো আখ্যান। মানুষ তাই কবিতা বা গানের মতো জীবনকে কল্পনা করে। কবিতায় জীবনের মুগ্ধতা খুঁজে বেড়ায়। আমিও কবিতা লিখে যেমন আনন্দ পাই, তেমনি কখনো কষ্ট ছুঁয়ে গেলে কবিতা লিখে বা পাঠ করে মনের অতৃপ্তি দুর করার চেষ্টা করি।
কবিতার মাধ্যমে সমাজ অবক্ষয়ের অনেক অন্যায়, অসঙ্গতি তুলে ধরা যায়। কবিতায় আমি মনের বারান্দায় ভীড় করা অব্যাক্ত কথা প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি। এবারের বই মেলায় মলাট বন্দি করা “লাল রঙের নামতা” গ্রন্থের একটি কবিতা কিংবা একটি পংক্তি ও যদি কারো হৃদয়কে স্পর্শ করে তবেই আমার পরিশ্রম স্বার্থক হবে। এবং বইটি প্রকাশে যারা পরিশ্রম করে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সবাইকে বই পড়ার আহবান জানান কবির হোসেন মিজি।
চৈতন্য প্রকাশনীর কর্ণধার রাজিব চৌধুরী জানান, বইটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বইমেলায় পাওয়া যাবে।
এছাড়া বইটি বাতিঘর, রকমারি ও চৈতন্য থেকে পাঠক সংগ্রহ করতে পারবেন। লাল রঙের নামতা গ্রন্থটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন সময়ের জনপ্রিয় প্রচ্ছদশিল্পী নির্ঝর নৈশব্দ্য। বইটির মুদ্রিতমূল্য ২০০ টাকা। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৮। চৈতন্য প্রকাশনীর ৬০৭ ও ৬০৮ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital