বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশিত হলো রফিকুজ্জামান রণি সম্পাদিত শিল্প-সাহিত্যের কাগজ `লোরাম’

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১০ পিএম
প্রকাশিত হলো রফিকুজ্জামান রণি সম্পাদিত শিল্প-সাহিত্যের কাগজ `লোরাম’
প্রকাশিত হলো প্যাপিরাস পাঠাগারের প্রথম মুখপত্র ‘লোরাম’। কবি রফিকুজ্জামান রণি সম্পাদিত ১৩৬ পৃষ্ঠার শিল্প-সাহিত্যের এ কাগজটি আলোর মুখ দেখেছে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির পৃষ্ঠপোষকতায়।
চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লেখকদের লেখায় সমৃদ্ধ হয়েছে লোরাম। গল্প-কবিতা-প্রবন্ধের পাশাপাশি রয়েছে মঞ্চনাটক, অনুবাদ, গান, নাট্য ইতিহাস ও খ্যাতিমান কবি জরিনা আখতারের সাক্ষাৎকার। প্রচ্ছদ করেছেন আহমেদ ইউসুফ।
প্রকাশনা সংস্থা ছিন্নপত্র-এর মাধ্যমে কাগজটি বাজারে এসেছে। প্রথম সংখ্যা উৎসর্গ করা হয় ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ নারীকে। তারা হলেন: দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক বেগম রাজিয়া হোসাইন, কবি সুরাইয়া চৌধুরী ও সংগঠক আয়েশা আক্তার রুপা। প্রধান উপদেষ্টা রাখা হয় কবি ও কথাশিল্পী নিলুফা আকতারকে এ ছাড়া উপদেষ্টাম-লী ও সম্পাদনা পরিষদসহ বিভিন্নভাবে যুক্ত রয়েছেন অ্যাডভোকেট শীতল চন্দ্র ঘোষ, অ্যাডভোকেট দীপক চন্দ্র দেবনাথ, অ্যাডভোকেট ইমাম হোসাইন টিটু, অ্যাডভোকেট বেনী আমিন সুমন, নজরুল ইসলাম স্বপন খান, মুহাম্মদ মাসুদ আলম, মিজানুর রহমান স্বপন, শিউলী মজুমদার, জয়ন্তী ভৌমিক, দিলীপ কুমার ঘোষ, ফেরারী প্রিন্স, কামরুন্নাহার বিউটি, জান্নাতুল ফেরদাউস সুপ্ত,  ফারুক হোসেন, নাজমুল ইসলাম সজীব, আইরিন সুলতানা লিমা, বেলাল শেখ, সাইফুল খান রাজীব ও জান্নাতুল মাওয়া।
এ ব্যাপারে লোরামের সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া একটি পাকিস্তানি শত্রু-জাহাজের নাম ‘লোরাম’। এম. ভি. ইকরাম নামেও জাহাজটি ব্যাপক পরিচিত। ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনীর বিপুল অস্ত্র-ভাণ্ডার এবং খাদ্যসমাগ্রী মজুদ থাকা ‘লোরাম’ নামের জাহাজটি লিমপেট মাইন ব্যবহার করে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন এক দল বীর মুক্তিযোদ্ধা। এর ফলে শত্রু-বাহিনীর জন্যে নৌবন্দর ও নদীপথ সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জাহাজটি ডোবানো হয় চাঁদপুর লন্ডন ঘাট এলাকায়। প্রায় ৪ দশকের কাছাকাছি সময় ধরে অর্ধেক জলে এবং অর্ধেক স্থলে তলিয়ে থাকা জাহাজটি ২০০৮ সালের ৯ অক্টোবর উঠিয়ে নেওয়া হয় অত্যন্ত গোপনে। বর্তমানে জাহাজটি নারায়ণগঞ্জের একটি ডকইয়ার্ডে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
অত্যন্ত আক্ষেপ করে রণি বলেন, পরিতাপের বিষয় যে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের অনন্য স্মারকটি চাঁদপুরে সংরক্ষণ করা হয়নি। সুকৌশলে মাত্র এক রাতের মধ্যে জাহাজটি সরিয়ে নেওয়া হয় নিলামে বিক্রির উদ্দেশ্যে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের অমূল্য নিদর্শনের স্মৃতি ধরে রাখতে সাহিত্যের ছোট কাগজটির নামকরণ করা হলো ‘লোরাম’।
তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকষণ করে বলেন, আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে রিভার মিউজিয়াম তৈরি করে ‘লোরাম’ জাহাজটি চাঁদপুরের মাটিতে এনে সংরক্ষণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা হোক।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital