শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সাত লেখক-শিল্পী পেলেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি দোনাগাজী পদক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
সাত লেখক-শিল্পী পেলেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি দোনাগাজী পদক

মধ্যযুগের কিংবদন্তি পুঁথিসাহিত্যিক, সতেরো শতকের রোমান্টিক কবি দোনাগাজীর নামে ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত সাহিত্য পদক দিয়ে আসছে চাঁদপুরের চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। এবার দুই বছরের পদক একসঙ্গে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদক প্রাপ্ত দেশের ৭ গুণিব্যক্তির নাম ঘোষণা করেন চর্যাপদ একাডেমির মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি।

এর আগে একাডেমির সভাপতি আয়শা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে জুড়ি বোর্ডের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন লাভ করে।

বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই বছরের পদক প্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়। পদক প্রাপ্তরা হলেন: ২০২৫-এ কবিতায় সোহরাব পাশা, কথাসাহিত্যে ইশরাত তানিয়া, শিশুসাহিত্যে স. ম. শামসুল আলম, সংগীতে রনক রায়হান; ২০২৬-এ কবিতায় শিবলী মোকতাদির, চারুকলায় অমল সেনগুপ্ত এবং লোক-গবেষণায় সৈয়দা আঁখি হক।

Model Hospital

এসময় উপস্থিত ছিলেন জুড়িবোর্ডের সদস্য সচিব শিউলী মজুমদার, প্যাপিরাস পাঠাগারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান কবির, একাডেমির নিয়ন্ত্রণ পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুল্লা কাহাফ, পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিক, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি, বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীম, উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান স্বপন, সমন্বয়কারী সাইফুল খান রাজীব, প্রাবন্ধিক লিটন শীল।

একাডেমির সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ পদক তুলে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে উদযাপন পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি বলেন, দোনাগাজী ছিলেন মধ্যযুগের কবি। সতেরো শতকের পুঁথিশিল্পী দোনাগাজী প্রধানত রোমান্টিক ঘরানার কবি ছিলেন। বিখ্যাত প্রেমকাব্য ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’ তাকে অমর করে রেখেছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তার নামে চর্যাপদ একাডেমি এ পদক দিয়ে আসছে।

কবি দোনাগাজীর সম্মানে ২০১৯ সাল থেকে এ পদক প্রদান করে আসছে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। প্রতি বছর শিল্প-সাহিত্যের শুদ্ধতম ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পদক।

এর আগে চর্যাপদ একাডেমি থেকে বিভিন্ন সময় পুরস্কৃত হয়েছেন রহমান হেনরী, আকিমুন রহমান, এনায়েত রসুল, জরিনা আখতার, প্রণব মজুমদার, মোস্তফা কামাল যাত্রা, আশরাফ আহমদ, নাহিদা আশরাফী, হাসান আলী, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, হোসেন দেলওয়ার, মিল্টন খন্দকার, হাসনাত আমজাদ, গৌরাঙ্গ সাহা, রকিব লিখন, জামসেদ ওয়াজেদ, মজিদ মাহমুদ, হামিদ কায়সার, তপন বাগচী, মনি হায়দার, বীরেন মুখার্জী, মিলু শামস, স্বরূপ রতন দত্ত, মোহাম্মদ নূরুল হক, ফারহানা রহমান, রকিবুল হাসান, মাসুদুল হক, পারভীন সুলতানা, শিহাব শাহরিয়ার, হুমায়ূন কবীর ঢালী, হেনরী স্বপন, নিলুফা আক্তার, মামুন রশীদ, ফারুক নওয়াজ, প্রত্যয় হামিদ, ফারুক সুমন, শামসুল হুদা, অদ্বৈত মারুত এবং শাহেদ কায়েস সহ অনেক গুণিব্যক্তি।

অনুষ্ঠানের পার্টনার হিসেবে রয়েছে ফোকাস মোহনা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital