বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গৌরবের অষ্টম বর্ষে আলোর দিশার পদার্পণে থাকছে নানা আয়োজন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৪৬ পিএম
গৌরবের অষ্টম বর্ষে আলোর দিশার পদার্পণে থাকছে নানা আয়োজন

মানবতার কল্যাণে এগিয়ে চলা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আলোর দিশা” সমাজের ছিন্নমূল অসহায় মানুষের জন্য কাজ করতেই এই সংগঠনের সৃষ্টি। ২০১৮ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই থেকে মানবিক পথে যাত্রা শুরু করেন একদল তরুণ যুবক, মৃত্যু পথযাত্রী ও মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে তারা ছুটে চলে রক্তদাতা নিয়ে, সংগঠনটির সাত বছরে প্রায় ১০ হাজার ব্যাগের ওপরে রক্ত দান করেছে আলোর দিশা সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

এই সংগঠনটি কাজ করেছে সমাজের অসহায় দরিদ্র মানুষদের জন্য, যার সামান্য বিবরণ, দরিদ্র পরিবারের কন্যা বিবাহে আর্থিক সহযোগিতা, দরিদ্র অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা, দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা।

এছাড়াও প্রতিটি উৎসব মূখর সময়, রমজান মাসে ইফতারি বিতরণ, ঈদের সময় ঈদ সামগ্রী ও পোশাক বিতরণ, শীতকালীন অসহায় শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, করণাকালীন সময় সময়ে সংগঠনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে, এবং প্রকৃতির যেকোনো দুর্যোগে সংগঠনের সদস্যবৃন্দ সবসময় সর্বোচ্চভাবে চেষ্টা করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

বর্তমান সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলোর দিশা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাগর বিশ্বাস, এবং সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম মিথুন, এবং ২০২৫/২০২৭ ইং দুই বছরের পরিচালনায় মোট ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

আলোর দিশা সংগঠনের লক্ষ্য, আলোর দিশা যেন এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে তার আলোর রশ্মী সমাজের প্রতিটি ছিন্নমূল অসহায় মানুষের জীবনে আলো ছড়াতে পারে। আলোর দিশা সংগঠন কোন গ্রাম ,কোন শহর, বা কোনো নির্দিষ্ট জেলার আওতাভুক্ত থাকতে চায় না, তারা কাজ করতে চায় দেশব্যাপী, তাদের চিন্তা চেতনা তাদের মানবিক কর্মকান্ডে তারা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে আরো উজ্জ্বলিত করে তুলতে চায়।

শুধুমাত্র থমকে আছে শক্তির অভাবে, আলোর দিশা সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের আবেদন, সমাজের বিবেকবান মহৎ হৃদয়ের যে সকল মানুষ আছেন। তারা যদি আলোর দিশা সংগঠনের পাশে এসে দাঁড়ায় তাদের মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, আলোর দিশা হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী। তাই দেশ ও দেশের বাহিরে যত মানবতার ফেরিওয়ালা আছেন সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ আপনারা আপনাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন আলোর দিশা সংগঠনের প্রতি।

আলোর দিশার আলো ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবী জুড়ে, অন্ধকার দূর হোক বাংলার প্রতিটি ছিন্নমূল অসহায় মানুষের জীবনের।

আগামী শুক্রবার (২৯ আগস্ট)” আলোর দিশা সংগঠনের ৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠান, বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দিনব্যাপী থাকছে সংগঠনের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ড, রক্তদান, আলোচনা সভা, দোয়ার মাহফিল, মাদ্রাসার দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরীফ প্রদান। সাংগঠনের সর্বোচ্চ রক্তদাতা এবং একটিভ মেম্বারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান, পথচারীদের মধ্যে রাতের খাবার বিতরণ, এবং সাংগঠনিকভাবে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন।

সংগঠনের সভাপতি সাগর বিশ্বাস যথাসময়ে অনুষ্ঠানে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital