শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

৫০ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে ‘ভাইরাল’ মিজানের হোটেল ভাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:২০ পিএম
৫০ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে ‘ভাইরাল’ মিজানের হোটেল ভাঙচুর

ভাইরাল হয়েই যেন বিপাকে পড়েছেন রাজধানীর ভাতের হোটেলের মালিক মিজান। একসময় রিকশাচালক এবং সিএনজিচালকদের ভরসার জায়গা ছিল তার ফুটপাতের ছোট্ট হোটেলটি নামও দিয়েছিলেন ‘গরীবের বুফে’। সুলভ মূল্যে ভাত-মাংসের আয়োজনে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে দোকানটি। যে দোকানে নেই কোনো মালিক, কর্মচারী।

সবাই নিজ হাতে খাবার নিয়ে খেত। কিন্তু হঠাৎ ইউটিউবারদের কনটেন্টে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই যেন ধস নেমে আসে মিজানের ব্যবসায়। সম্প্রতি তার হোটেলে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বিপদের এখানেই শেষ নয়।

গভীর রাতে মিজানকে খুঁজে না পেয়ে তার হোটেল ভাঙচুর করে গেছে দুর্বৃত্তরা। এমনকি চাঁদা দাবি করেছে ৫০ হাজার টাকা। দেওয়া হয়েছে প্রাণনাশের হুমকিও। এমন অবস্থায় দোকান ভাঙচুর কিংবা আরো বড় কোনো ক্ষতির আশঙ্কায় দিন পার করছেন ‘গরীবের বুফে’খ্যাত ভাতের হোটেলের মালিক মিজান।

মিজান জানান, অনেক বিপদে আছেন তিনি। ৮টায় মাগরিবের আগে বাসায় চলে যেতে হয় তাকে। রাতে যখন দোকান ভেঙেছে তখন তিনি ওখানে থাকলে তার অবস্থাও খারাপ হতো। অশ্রুসিক্ত চোখে মিজান জানান, কখন হুন্ডায় করে এসে কারা তাকে মেরে রেখে যাবে তিনি নিজেও জানেন না। তার কিছু হলে কেউ জানতেও পারবে না।

Model Hospital

মিজানের হোটেলে খেতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে চাঁদাবাজের মারামারি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা উল্লেখ করে সেই ব্যক্তি বলেন, ‘এরা (চাঁদাবাজ) এখানে এসে গ্লাস ভেঙেছে আর কিছু মাল সামানা নিয়ে গেছে। তারা বলেছে, চাঁদা দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। চাঁদা না দিলে দোকান করতে পারবে না। আমি তখন বললাম, এটা তার (মিজান) ব্যাপার, আপনি তার সাথে কথা বলেন। সে এক পর্যায়ে আমার কালার ধরে ফেলল। আমিও এক পর্যায়ে তাকে ধরে বসেছি। এই মারামারি করতে করতে রোডের মাঝখানে চলে গেছি। সবাই গাড়িগুলো থামিয়ে সেই লোকের সঙ্গে রাগারাগি করলো যে মুরব্বি লোকের সাথে তুমি কেন মারামারি করলে?’

এদিকে মিজানের দোকানে খেতে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন খাবারের স্বাদ এখন আগের মতো নেই। গরুর মাংসে লবণ হয় না কিংবা পরিমাণমতো মসলা হয় না। ভাতও সিদ্ধ হয় না। ফলে অনেকেই খেতে এসে না খেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। অভিযোগ করে অনেকেই বলছেন, ভাইরাল হওয়ার পর গরীবের বুফেতে আর আগের মতো খাবারের মান পাওয়া যায় না। তবে কেউ কেউ বলছেন, মিজান যেসব চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তাতে করে রান্না করে খাওয়ানোই তার জন্য দুষ্কর হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত মিজানের জন্য নিরাপদে ব্যবসা করার পরিবেশ তৈরির আহ্বানও জানান অনেকে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital