বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

৯ মাসে কোরআনে হাফেজ ১০ বছরের আব্দুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৩ পিএম
৯ মাসে কোরআনে হাফেজ ১০ বছরের আব্দুল্লাহ

মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার তালুককান্দি শামসুল উলুম মাদরাসার শিক্ষার্থী। ১০ বছর বয়সী এ শিশু মাত্র ৯ মাসে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়েছেন। তার এমন অবিশ্বাস্য অর্জনে উচ্ছ্বসিত পরিবার ও প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও তার সহপাঠীরা।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে মাদরাসা মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আব্দুল্লাহসহ পাঁচ কোরআনে হাফেজকে পাগড়ি পরিয়ে সম্মাননা জানান প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মাওলানা তাজুল ইসলামসহ আগত অতিথিরা।

আব্দুল্লাহ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তুলাতুলী এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. আলী হোসেনের ছেলে। চার ভাই বোনের মধ্যে দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ।

সহকারী শিক্ষক হাফেজ ক্বারী হাবিবুর রহমান জানান, এক বছর আগে তালুককান্দি শামসুল উলুম মাদরাসায় ভর্তি হন আব্দুল্লাহ। শুরুতে সে পড়ায় বেশ মনোযোগী ছিল।

Model Hospital

শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে কঠোর অধ্যাবসায় মাত্র ৯ মাসে কোরআনে হিফজ শেষ করেছে। এটি সত্যিই এক বিরল অর্জন। এর আগেও আমাদের এক শিক্ষার্থী সাড়ে সাত মাসে কোরআনে হাফেজ হন।

কোরআনে হাফেজ হওয়ার মাত্র দুই দিন আগে মৃত্যুবরণ করেন আব্দুল্লাহর দাদা হাজী আব্দুল জব্বার।

মূলত তার প্রবল ইচ্ছে ও উৎসাহের কারণে দ্রুত কোরআন মুখস্ত করতে শুরু করেন আব্দুল্লাহ। তবে শেষ পর্যন্ত নাতির কোরআনে হাফেজ হওয়া দেখে যেতে পারেননি তিনি।
হাফেজ আব্দুল্লাহ বলেন, দাদার প্রবল ইচ্ছে, পরিবার ও শিক্ষকদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাত্র ৯ মাসেই পুরো কোরআন মুখস্ত করার সম্ভব হয়েছে। আজ এই দিনে আমার দাদাকে বেশ মনে পরছে। উনার ইচ্ছে ও উৎসাহ প্রদানের কারণে আজ আমি কোরআনে হাফেজ।

আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করি। সবাই আমার দাদার জন্য দোয়া করবেন।
সন্তানের এমন সাফল্যে আনন্দিত আব্দুল্লাহর বাবা মালয়েশিয়া প্রবাসী আলী হোসেন জানান, দুই মেয়ে ও দুই ছেলে মধ্যে দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ। ছেলে কোরআনে হাফেজ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের আন্তরিকতা প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা জানান।

তালুককান্দি শামসুল উলুম মাদরাসায় প্রিন্সিপাল মাওলানা তাজুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মাত্র ৯ মাসে কোরআনে হাফেজ হয়েছেন। এর আগেও আরেক শিক্ষার্থী মাত্র সাড়ে সাত মাসে কোরআনে হাফেজ হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসাবে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।