বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং রোগ ও মৃত্যু কামাবে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৭ এম
ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং রোগ ও মৃত্যু কামাবে

বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর নীতি। এটি বাস্তবায়ন হলে মানুষের অসংক্রামক কমে আসার পাশাপাশি মৃত্যুর হারও কমে আসবে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সকালে রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত বেঙ্গল ব্লু বেরী হোটেলে অনুষ্ঠিত “জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং সম্পর্কিত শক্তিশালী ও কার্যকর বিধান প্রণয়নে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে সেন্টার ফর ল’ এন্ড পলিসি এফেয়ার্স, পাবলিক হেলথ ল’ ইয়ার্স নেটওয়ার্ক এবং সিটিজেন নেটওয়ার্ক-সিনেট। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০ শতাংশই অসংক্রামক রোগজনিত। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও স্যাচুরেটেড/ট্রান্স-ফ্যাটসমৃদ্ধ মোড়কজাত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ এই ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। চমকপ্রদ প্যাকেজিং ও অপর্যাপ্ত সতর্কতামূলক তথ্যের কারণে ভোক্তারা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এ প্রেক্ষাপটে খাদ্যপণ্যের মোড়কের সামনের অংশে সহজবোধ্য, দৃশ্যমান ও সতর্কতামূলক পুষ্টি তথ্য প্রদানের ব্যবস্থা—অর্থাৎ ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং ভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

সভায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলা হয়, চিলি, কানাডাসহ ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বাধ্যতামূলক সতর্কতামূলক ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং চালুর ফলে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ কমেছে এবং খাদ্য শিল্পে পণ্যের উপাদান সংস্কার  ঘটেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব খাদ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী সতর্কবার্তাভিত্তিক ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

Model Hospital

বক্তারা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খসড়া নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬ প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলেন, কার্যকর ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং বাস্তবায়নের জন্য স্পষ্ট সতর্কতামূলক প্রতীক, নির্ধারিত ফন্ট সাইজ ও উচ্চ দৃশ্যমান রঙের ব্যবহার, বাধ্যতামূলক আইনি কাঠামো, শক্তিশালী মনিটরিং ও জরিমানার ব্যবস্থা এবং ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সভা শেষে বক্তারা বলেন, ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং কেবল একটি লেবেলিং ব্যবস্থা নয়—এটি একটি শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য নীতি। বৈজ্ঞানিক ও বাধ্যতামূলক ফ্রন্ট-অফ-প্যাক লেবেলিং নীতি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করতে পারে বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, সদস্য (খাদ্য শিল্প ও উৎপাদন), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, উপ-পরিচালক (মেটোলজি), বিএসটিআই, অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিএইচডি, চেয়ারম্যান, ডিপাটমেন্ট অব পাবলিক হেলথ, স্কুল অব হেলথ সাইন্স, স্টেট ইউনিভার্সিটি, সামিনা ইশরাত, প্রোগ্রাম অফিসার হেলথ প্রোমেশন ডিজিজ প্রিভেনশন এন্ড কনট্রোল, ডাব্লিউ এইচ ও, পলাশ চন্দ্র বণিক, সহযোগী অধ্যাপক, ডির্পাটমেন্ট অব এনসিডি, বিইউএইসএস, এহসানুল হক জসিম,সাংবাদিক ডেইলি সান, ড. আবরার এসিস্ট্যান্ট সাইনটিস্ট, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, মোঃ মোস্তফা হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ব্রাক ইউনির্ভাসিটি, মোঃ আওলাদ হোসেন, চেয়ারম্যান, গ্রোবাল লিগ্যাল স্টাডিস এন্ড ডেভেলমেন্ট সেন্টার, নিশাত মাহমুদ, সদস্য-সচিব পাবলিক হেলথ ল ইয়ার্স নেটওর্য়াক, মোঃ তানভির আহমেদ, চেয়ারম্যান, ইকুউটাস ফাউন্ডেশন, জাহাঙ্গীর আলম, কো অডিনেটর, বারসিক, মোঃ আমিনুল ইসলাম সুজন, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস, শাগুফতা সুলতানা, পরিচালক, সেতু ফাউন্টেশন, ফারহানা জামান লিজা, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি, সৈয়দা অনন্যা রহমান, হেড অব প্রোগ্রাম, ডাব্লিউ বিবি ট্রান্ট, ফাহমিদা ইসলাম, পরামর্শক, সিএলপিএ ,অধ্যাপক আ ফ ম সারোয়ার, পরামর্শক, সি এল পি এ উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital