শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর চিল্ড্রেন একাডেমির আয়োজনে দেশীয় ফল উৎসব

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৭ পিএম
চাঁদপুর চিল্ড্রেন একাডেমির আয়োজনে দেশীয় ফল উৎসব

দেশীয় ফলের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে চাঁদপুর চিল্ড্রেন একাডেমির উদ্যোগে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁদপুর শহরের ওয়্যারলেছ বাজারস্থ বিদ্যালয়ের হলরুমে উৎসবমুখর পরিবেশে এ আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের নার্সারি থেকে ৫ম শ্রেণীর প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

তারা দেশজ ফল আম, কাঁঠাল, জাম, লিচু, পেয়ারা, লিচু, লটকন, করমচা, কাঠ লিচু নুইন্না, করা, আমড়া, কামরাঙ্গাসহ নানা ধরনের ফলের পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি এসব ফলের পুষ্টিগুণ, ঔষধি উপকারিতা এবং মানবদেহের জন্য গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনা করে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল ও শিক্ষণীয়। উপস্থিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উপস্থাপনা ও দেশীয় ফল সম্পর্কে তাদের জ্ঞান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ফল উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শ্রেণিভিত্তিক তিনজন করে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল বাসার শেখ, অধ্যক্ষ আসমা খানম, ইনচার্জ রুহুল আমিন রাসেল। পরে বিজয়ীদের হাতে উপহার ও সম্মাননা তুলে দেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষকরা। অনুষ্ঠান শেষে সবাই মিলে একসাথে ফল খাওয়ার উৎসব আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল বাসার শেখ বলেন, কোমলমতি শিশুদের দেশীয় ফল চেনানো এবং দেশীয় ফলের গুনাগুন সম্পর্কে জানানোর জন্যই এই আয়োজন। ‌এমন আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা দেশীয় ফল সম্পর্কে জানতে পারবে। ‌পাশাপাশি এই উৎসবের অংশ নিতে পেরে শিশুরা যে আনন্দ পেয়েছে, তা তাদের মানসিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এমন আনন্দঘন ও উৎসবমুখর আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আসমা খানম বলেন, শিশুদের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করে তোলার লক্ষ্যেই এ ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার জন্য তিনি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমুল হাসান ও সাবিনা ইয়াসমিনের যৌথ উপস্থাপনায় ফল উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহানা চৌধুরী, পরিচালক জাকির হোসেন চৌধুরী, সুমন শীল চন্দ্র, বাবুল সর্দার। ফল উৎসবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমেনা বেগম, রাবেয়া আক্তার জুঁই, শাহানারা আলম, শিখা আক্তার, রেশমিন আক্তার, জাকিয়া ইসলাম, মরিয়ম আক্তার প্রেমা, ফারহা দিবা, সুমাইয়া মিম, শারমিন আক্তার, আফরিন আক্তার, ইতি রানী দেবনাথ, নাহিদ নিশাত, রুপা আক্তার, আরিজাসহ সকল শিক্ষকবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital