শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর প্রেস ক্লাবে পিআইবি কর্তৃক প্রশিক্ষণের সমাপনী সেশন অনুষ্ঠিত

এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৬ পিএম
এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ : চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় পিআইবি আয়োজিত চাঁদপুরের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য তিনদিনব্যাপী ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত চাঁদপুরের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য তিনদিনব্যাপী ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রশিক্ষণের সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বলেন, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং মাধ্যমে আপনারা সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে পারবেন। চাঁদপুরের  কিছুদিন আগে একটি গুজব ছড়িয়েছে লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আপনারা সাংবাদিকগণ সঠিক তথ্য দিয়ে নিউজ করে ফুটেজ প্রকাশ করেছেন যে চাঁদপুরে কোন লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেনি। যখনি সত্য প্রকাশ করে নিউজ করা শুরু হলো, তখনই গুজব ছাপা পড়ে গেছে।
তিনি বলেন, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং এর প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা পৃথিবীতে এটা নিয়ে যুদ্ধ চলছে। বিশ্বকাপ পরবর্তী অনেক মিথ্যা বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়াচ্ছিল, আসলে সবই ছিল গুজব। যারা প্রকৃত সাংবাদিক তারা ফেসবুক সাংবাদিকদের কারণে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আমরা, আপনাদের মাধ্যমে চাঁদপুরের অন্যান্য সাংবাদিকগনকে ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করব। আজকের কর্শশালার আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি । আপনারা সবাই ভালো থাকবেন।
সমাপনী সেশনে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।
তিনি বলেন, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় পিআইবি কর্তৃক এখানে ৩৫জন পেশাদার সাংবাদিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করায় আমাদের এমপি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক, চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা ছিল। আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তথ্য মন্ত্রণালয় ও পিআইবিকেও ধন্যবাদ জানাই। আমাদের প্রশিক্ষণে তারা আন্তরিকতা দেখিয়েছে। চাঁদপুর প্রেস ক্লাব যখনই প্রশিক্ষণের জন্য কোন আবেদন করে, পিআইবি আমাদের ডাকে সাড়া দেয়।
তিনি বলেন, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণে আমাদের সাংবাদিকতের মানউন্নয়ন হচ্ছে। এ প্রশিক্ষণ পেশাগত কাজে সহায়তা করবে এবং সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আমি সাংবাদিকগণকে ধন্যবাদ জানাই সুন্দরভাবে প্রশিক্ষণটি গ্রহন করায়। আগামীতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে আমাদের আরো মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এ প্রত্যাশা করছি। অনেকেই প্রশিক্ষণ গ্রহনের জন্য আবেদন করেছেন। আশা রাখছি জেলা প্রশাসক মহোদয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন।
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফের সঞ্চালনায় তৃতীয় দিনের সমাপনী সেশন প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ও বক্তব্য রাখেন, পিআইবির প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। তিনি ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ধারণা, প্রয়োজনীয়তা, ছবি-ভিডিও যাচাই এবং ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ব্যবহারিক প্রয়োগ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন।
কর্মশালায় পিআইবি টিমের সাথে ছিলেন পিআইবির হিসাবরক্ষক মো: মিজানুর রহমান সরকার, অফিস স্টাফ মো: কফিজুল হক।
প্রশিক্ষনে অংশগ্রহন করেন, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সম্পাদক সোহেল রুশদী, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময়ের জেলা প্রতিনিধি এম এ লতিফ, দৈনিক চাঁদপুর কন্ঠের প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাত, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার চাঁদপুর প্রতিনিধি বি এম হান্নান, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি গিয়াসউদ্দিন মিলন, দৈনিক মানবকন্ঠের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি মো: শাহাদাৎ হোসেন শান্ত, বাংলা ভিশন টিভির চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি রহিম বাদশা, দৈনিক দিনকাল এর জেলা প্রতিনিধি মুনির চৌধুরী, আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার (চাঁদপুর) শরীফ চৌধুরী, দৈনিক চাঁদপুর কন্ঠের বার্তা সম্পাদক এ এইচ এম আহসান উল্ল্যাহ, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ এর সম্পাদক আবদুর রহমান, দৈনিক যুগান্তর এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি মির্জা জাকির, চ্যানেল-২৪ এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি আল ইমরান শোভন, জিটিভির চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি রিয়াদ ফেরদৌস, দৈনিক ইলশেপাড় পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মো: মাহবুবুর রহমান সুমন, দৈনিক প্রভাতী কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল আউয়াল রুবেল, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি আলম পলাশ, সময় টেলিভিশন এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি ফারুক আহম্মেদ, একুশে টেভির চাঁদপুর প্রতিনিধি মো: নেয়ামত হোসেন, এখন টেলিভিশনের চাঁদপুর প্রতিনিধি তালহা জুবায়ের, চ্যানেল আই টেলিভিশন এর চাঁদপুর প্রতিনিধি মো: মোরশেদ আলম, চাঁদপুর জেলা ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাড: ইয়াসিন ইকরাম, মাইটিভির চাঁদপুর প্রতিনিধি মুনাওয়ার কানন, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার ইব্রাহিম রনি, দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মাসুদ আলম, দৈনিক চাঁদপুর সময় এর প্রধান সম্পাদক মো: ফরিদুল ইসলাম, এনটিভির চাঁদপুর প্রতিনিথি মো: শরীফুল ইসলাম, একাত্তর টিভির নিজস্ব প্রতিবেদক আল আমিন ভূইয়া, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি লক্ষন চন্দ্র সূত্রধর, বৈশাখী টিভির চাঁদপুর প্রতিনিধি আব্দুল ওয়াদুদ বেপারী, দৈনিক নয়া প্রভাতের নির্বাহী সম্পাদক এইচ এম নিজাম, দৈনিক চাঁদপুর দিগন্ত পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মো: ইলিয়াছ পাটওয়ারী, দৈনিক চাঁদপুর প্রবাহের যুগ্ম সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চাঁদপুর জেলা ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাওন পাটওয়ারী, দৈনিক চাঁদপুর দিগন্ত পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সালাহউদ্দিন খানসহ সাংবাদিকবৃন্দগণ।
গত ২৩জুলাই চাঁদপুরের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক  মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য তিনদিনব্যাপী ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’