বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যে হারে মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে সে তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে ছেলেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২, ২:৪৯ পিএম
যে হারে মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে সে তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে ছেলেরা
নাম আইরিন বয়স (৯)নয় মাস। ও মেয়ে শিশু। বাবার কোলে চড়ে সুতির গেঞ্জি কিনতে দোকানে এসেছে। মেয়ে শিশু সম্পর্কে এখনও আমাদের সমাজে বিরূপ ধারণা রয়েছে। আমরা আইরিনের অনাগত দিন ভালো হোক এবং সে বড় হয়ে সমাজ বিনির্মাণে অবদান রাখুক এমন প্রত্যাশা করি। আমাদের সমাজে মেয়ে শিশুরা বড় হতে যে প্রতিবন্ধকতাগুলো অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যেতে হয় তা ছেলে শিশুদের বেলায় পড়তে হয় না। আমাদের মেয়ে শিশুরা নির্বিঘ্নে কোন প্রকার অনাহুত ঘটনার মুখোমুখি না হয়ে বড় হয়ে উঠুক আইরিনের জন্য আমরা এমন একটি পরিবেশ আশা করি। এ দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন আদৌ সম্ভব নয়। আমরা মেয়েদের বড় হওয়ার জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরির পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রত্যাশা করি।
বিগত ৫০ বছর আগেও মেয়ে শিশুদের নিয়ে সমাজে বিরূপ ধারণা ছিল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দেশ অনেক এগিয়েছে। কিন্তু সমাজ বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় আমরা এখনো আমাদের মেয়েশিশুদের বিষয়ে সেই পুরনো ধারণাই পোষন করি। কিন্তু ইদানিং রাষ্ট্র এবং সমাজ বিবর্তনে নারীরা যে বিশাল অবদান রেখে চলেছে তা এখনো তেমন একটা বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে না। এথেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রের যে কোন সেক্টরে মেয়েরা অনেক অবদান রেখে চলেছে। যা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পেলেও সমাজ ব্যবস্থাপনায় এখনো মেয়েরা অবহেলিত। আমাদের দেশের সরকার প্রধান এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রধান মহিলা হওয়া সত্ত্বেও মহিলাদের বা মেয়েদের বিষয়ে এখনও বিরূপ ভাবনা থেকে আমরা বের হতে পারিনি। এই অচলায়তন ভাঙ্গা দরকার।সমকালীন সময়ে শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এদেশের মেয়েরা যেভাবে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে আগামী দিনে মেয়েদের এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা যাবে না।
স্কুল-কলেজ সহ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের শিক্ষার হার দিনকে দিন ঊর্ধ্বমুখী। যে হারে মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে সে তুলনায় ছেলেরা পিছিয়ে পড়ছে। নিকট ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষিত মেয়েদের যোগ্যতাসম্পন্ন বিয়ের বর পাওয়াও অনেক কঠিন ও জটিল হবে। এ বিষয়ে সমাজ সচেতন ও সমাজবিজ্ঞানী সহ রাষ্ট্রপরিচালনায় যারা দায়িত্ব পালন করছেন তাদেরকে এখনই ভাবতে হবে।
একটি বিষয় লক্ষণীয় আমাদের সমাজে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা দিন দিন ঊর্ধ্বমুখী। অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দেশের মেয়েরাও পশ্চিমা দেশের মেয়েদের মত বিয়ে করে নিজ দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাবে। ইতিমধ্যেই যার যাত্রা শুরু হয়েছে। আমাদের দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে গিয়ে আর দেশে ফিরে আসেন না। দেশে ফিরলেও তারা বিদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে একদিকে বাংলাদেশ যেমন মেধাবীদের হারাচ্ছে, তেমনি এ দেশের শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা বিদেশে গিয়ে তার শিকড়কে ভুলতে বসছে। এর উত্তোরণ অতি আবশ্যিক।
লেখক: মোঃ রুহুল আমিন

সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী
Mobile: 01712295706,01839600296

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital