বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে বিধবা নারীকে অপহরন, তদন্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ১০:৫০ এম
ফরিদগঞ্জে বিধবা নারীকে অপহরন, তদন্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক বিধবা নারীকে মারধর করে থানায় নিয়ে আসার কথা বলে অপহরন, পরিবারে লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে অভিযুক্ত দুই নারীর হামলার শিকার হয়েছের দুই পুলিশ সদস্য।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ১০ জুন শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের সকদি রামপুর গ্রামের বাশি বাড়িতে।
হামলার শিকার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন ফরিদগঞ্জ থানার কনস্টেবল শফিকুর রহমান এবং পান্না আক্তার। পুলিশের উপর হামলার খবর পেয়ে থানার তদন্ত (ওসি) প্রদীপ মন্ডলের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত দু’ সহোদর বোনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে দু’সহোদর বোনকে থানায় নিয়ে আসার পর তাদেরকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে অপহরন হওয়া পারুল বেগমকে রুপার চাঁদপুরের বাড়া বাসা থেকে থেকে সু-কৌশলে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

এ ঘটনার একইদিন রাতে অপহরন হওয়া পারুল বেগমের মেয়ে নিপা আক্তার বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত অপহরন মামলা দায়ের করেন। সে আলোকে মামলার এজহারভূক্ত আসামী সকদি রামপুর এলাকার নূরুল ইসলামের মেয়ে শিল্পী আক্তার (৩৫) এবং রুপা আক্তার (২৮)। রুপার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশ পুলিশে এস. আই পদে নোয়াখালী জেলায় কর্মরত রয়েছেন।

জানা যায়, টাকা পাবে বলে পারুল বেগম নামে ওই বিধবা নারীকে বাড়ি থেকে সু-কৌশলে তুলে নিয়ে যায় রুপা ও শিল্পী নামে দুই সহোদর বোন। পারুল বেগমকে দীর্ঘ সময় খুঁজে না পাওয়ায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। সে আলোকে ফরিদগঞ্জ থানার এস. আই আনোয়ার হোসেন সঙ্গীয় কনস্টেবল সফিকুর রহমান ও পান্নাকে নিয়ে অভিযোগের তদন্ত করতে যায়।

Model Hospital

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রুপা আক্তার ও শিল্পী আক্তারকে জিজ্ঞেস করতে গেলে তারা দু’বোন নারী পুলিশ সদস্য পান্নার গায়ে হাত তোলে এবং অপর পুলিশ সদস্য সফিকের পোশাক নিয়ে টানা হেঁচড়া করে মারধর করে। এ সময় তারা ওই পুলিশ সদস্যের পোশাকের বুতাম ছিঁড়ে পেলে এবং ব্যাচ নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানায়, শিল্পী-রুপা খুবই খারাপ, উশৃঙ্খল এবং দুশ্চরিত্র প্রকৃতির। তারা দু’ বোন প্রতিনিয়ত এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়ায়।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। এ ঘটনায় নিপা আক্তার বাদী হয়ে তার মাকে অপহরনের দায়ে অপহরন মামলা দায়ের করেছে এবং এজহার ভূক্ত আসামী শিল্পী ও রুপাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।