বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে জোরপূর্বক জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ৪:৫৭ পিএম
মতলব দক্ষিণে জোরপূর্বক জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া জায়গা প্রতিপক্ষরা জোরর্পূবক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বর্তমানে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষের আশংকা করছে এলাকাবাসী। এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জরুনা বেগম বাদী হয়ে মতলব দক্ষিণ থানায় প্রতিপক্ষ রেনু মিয়া ও রোকেয়া বেগম রকি গংদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

জানা যায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়নের তেলীমাছুয়াখাল গ্রামের মৃত মো. হামির আলী প্রধানের ছেলে আনছার আলী, মেয়ে রূপজান বিবি ও নাতী হাসমত আলী ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হয়ে সিএস ১৭৫ দাগে বাড়ি মোট ৮৩ শতাংশের মধ্যে বিএস ৫০৬ নং খতিয়ানে ৩৩৮ দাগে মোট ১০ শতাংশ ভূমির মধ্যে ৬ শতাংশ সম্পত্তি একই এলাকার মৃত মো. মহর আলীর ছেলে মো. জামাল মিয়া, চারু মিয়া এবং মৃত চান মিয়ার স্ত্রী খতেজা বেগমের নামে সাবকাবলা দলিলমূলে ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বিক্রি করে দেন। উক্ত সম্পত্তি পূণরায় ১৯৯১ সালের ১১ মার্চ রূপজান বিবির কাছ থেকে ভূয়া দলিল করে ক্রয় করেন একই বাড়ির মোহাম্মদ আলীর ছেলে ফজলুর রহমান ও ছাদেক আলী এবং আবদুল আলী জমাদারের ছেলে দুলাল ও শাহআলম গংরা। একই দাতা রূপজান বিবি ১৯৯২ সালের ৮ জুন একই দাগে একই এলাকার মৃত কাশেম আলী বেপারীর ছেলে মো. রেনু মিয়া, মো. অরুন মিয়া ও মৃত দুধ মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া খাতুন ও তার ছেলে জামাল হোসেনের নামে ভূয়া দলিল করে বিক্রি করেন। এর পর থেকেই রোকেয়া বেগম গংরা ওই তৃতীয় নম্বর দলিলমূলে মালিকানা দাবি করে জোরপূর্বক জায়গা দখলের চেষ্টা করে আসছেন।

থানার অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জরুনা বেগমের সাথে প্রতিপক্ষ রেনু মিয়া ও রোকেয়া বেগম গংদের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধীয় জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষে বেশ কয়েকবার স্থানীয়ভাবে শালিসী বৈঠকের ঘটনা ঘটে। কিন্তু প্রতিপক্ষ রেনু মিয়া ও রোকেয়া বেগম রকি গংরা কোন প্রকার শালিসী বৈঠক না মেনে জোরপূর্বক জায়গা দখলের পায়তারা করছে। এরই সূত্র ধরে গত ১০ জুন রোকেয়া বেগম রকি বাদী জরুনা বেগমের মালিকানা জায়গা থেকে মূলবান কাঠের গাছ (রেন্ডি করই) জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন বাদী জরুনা বেগমের ছেলে মো. সিরাজ জমাদার। উক্ত গাছ কাটতে বাধা দিতে গেলে রোকেয়া বেগম গংরা দেশীয় অস্ত্রসন্ত্র নিয়ে বাদী জরুনা বেগমকে মারধর করতে আসলে স্থানীয়দের সহায়তায় রক্ষা পায়। এসময় রোকেয়া বেগম গংরা প্রাণনাশের হুমকি ধমকি দেয় বলে জানান তারা।

এদিকে এলাকবাসী অভিযোগ করে বলেন রোকেয়া বেগম রকি এলাকার একজন চিহিৃত সুদ ব্যবসায়ী। গত কয়েক দিন আগে সুদের টাকার জন্য এক জেলের বসতঘরে তালা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

Model Hospital

উক্ত বিরোধীয় জায়গা দখল-বেদখল করা নিয়ে বাদিনী জরুনা বেগম ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানান সিরাজ জমাদার। তিনি এ বিষয় নিয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এবিষয়ে রোকেয়া বেগম রকি জানান, আমি কোন গাছ কাটি নাই। আমি আমার গাছের ডালা কেটেছি। আমি কারো জায়গা দখল করি নাই। জায়গা এবং গাছ আমার নিজের।

 

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital