বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে বাবার বাড়ি থেকে যুবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২, ৬:০২ পিএম
হাইমচরে বাবার বাড়ি থেকে যুবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনিঃ    হাইমচরে বাবার বাড়ি থেকে অপর্ণা (১৮) নামের এক যুবতীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে হাইমচর থানা পুলিশ। উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড গন্ডামারা গ্রামে রহস্যজনক এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকাল সাড়ে ৪ টায় স্থানীয় সোবহান পাটওয়ারী বাড়ি থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন, এসআই সঞ্চিত কুমার সহ সঙ্গীয় ফোর্স লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
জানা যায়, মৃত অপর্ণা বেগমের ছোট ভাই মোঃ বাচ্ছু (১৫) গত ১৩ জুন তাহার বোন জামাই নকীব হাসান মুন্নার খালাতো ভাই, মোঃ মনির হোসেনের মোবাইল চুরি করে নিয়ে যায়। মোবাইল চুরি হওয়ার কথা মনির তাহার মামাতো ভাই নকীব হাসান মুন্না কে বলেন। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৫ জুন বুধবার ঘরোয়া শালিসি বসার কথা থাকলেও অপর্ণা বেগমের বড় ভাই তাঁকে মারধর করে। সেই সাথে স্বামী নকীব হাসান মুন্নার সাথে তাহার স্ত্রীর সাথে কথাকাটি হয়। মঙ্গলবার দুপুরে অপূর্ণা বেগম (১৮) সবার অজান্তে নিজ বাড়ীর বসত ঘরের মধ্যে দরজা বন্ধ করে আড়াঁর সাথে ওড়না পেছিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। অপর্ণা বেগমের স্বামী মুন্না   ঢাকায় একটি কোম্পানিতে তিন মাসের জন্য প্রশিক্ষনরত আছেন।
এ ঘটনায় এলাকায়বাসী জানায়, অপর্ণা বেগম মেয়ে হিসেবে ভালো ছিল। ৬/৭ মাস আগে নকীব হোসেন মুন্নার সাথে তার বিয়ে হয়। ধারনা করা হচ্ছে মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অপমানিত হওয়ায় সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।
মৃত অপর্ণা বেগমের বড় ভাই রাজন জানান আমি একজন দিনমজুর। কাজের থেকে ফিরে এসে দেখি অপর্ণা আত্মহত্যা করেছে। তবে কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট না।
হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন জানান, অপর্ণা বেগমের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশের একটি টিম নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এখনও সুস্পষ্ট ভাবে বলা যাচ্ছে না এটা হত্যা না-কি আত্মহত্যা। আমরা লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছি। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।