ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ছাত্রের অন্ডকোষ চেপে ধরলেন শিক্ষক!

সাইফুল ইসলাম সিফাত : হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ফুলছোঁয়া মাদ্রাসার ছাত্র সালমানের অন্ডকোষে চাপ দিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

Model Hospital

সালমান হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গন্তব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দেশগাঁও মসজিদ বাড়ীর সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে ফুলছোঁয়া মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ীতে যায়।
চিকিৎসারত অবস্থায় সালমান ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে সালমানের বাবা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ১৫ দিনে তিন বার মারধর করেছে। এটার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সালমানের অন্ডকোষে আঘাতের ছাপ রয়েছে।

মাদ্রাসায় গিয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ক্বারী সোহাইল বলেন, ওইদিনের পর আর তার সাথে দেখা হয়নি। তাকে মারধর করেনি।
মাদ্রাসার কতৃপক্ষ বলেন, গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রের বাবা মারধরের বিষয়ে অভিযোগ দিলে শাখা হাস্তানান্তর করা হয়।

জানতে চাইলে ফুলছোঁয়া মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত মূফতি আবদুল কাইয়ুম বলেন, ঘটনা জেনেছি। কতটুকু সত্যতা তা যাচাই করতে হবে।
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ১৭শ’ ছাত্র রয়েছে। সবাইকে দেখে রাখা সম্ভব হয়ে উঠেনা। এখানে সিসি ক্যামেরাও নাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

ছাত্রের অন্ডকোষ চেপে ধরলেন শিক্ষক!

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অগাস্ট ২০২২

সাইফুল ইসলাম সিফাত : হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ফুলছোঁয়া মাদ্রাসার ছাত্র সালমানের অন্ডকোষে চাপ দিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

Model Hospital

সালমান হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গন্তব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দেশগাঁও মসজিদ বাড়ীর সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে ফুলছোঁয়া মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ীতে যায়।
চিকিৎসারত অবস্থায় সালমান ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে সালমানের বাবা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ১৫ দিনে তিন বার মারধর করেছে। এটার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সালমানের অন্ডকোষে আঘাতের ছাপ রয়েছে।

মাদ্রাসায় গিয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ক্বারী সোহাইল বলেন, ওইদিনের পর আর তার সাথে দেখা হয়নি। তাকে মারধর করেনি।
মাদ্রাসার কতৃপক্ষ বলেন, গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রের বাবা মারধরের বিষয়ে অভিযোগ দিলে শাখা হাস্তানান্তর করা হয়।

জানতে চাইলে ফুলছোঁয়া মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত মূফতি আবদুল কাইয়ুম বলেন, ঘটনা জেনেছি। কতটুকু সত্যতা তা যাচাই করতে হবে।
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ১৭শ’ ছাত্র রয়েছে। সবাইকে দেখে রাখা সম্ভব হয়ে উঠেনা। এখানে সিসি ক্যামেরাও নাই।