রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় পানির অভাবে বোনা আমনের ফসল ঘরে উঠা নিয়ে শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২, ৩:৫৭ পিএম
কচুয়ায় পানির অভাবে বোনা আমনের ফসল ঘরে উঠা নিয়ে শঙ্কা

মোঃ রাছেল : আষাঢ়-শ্রাবন দুই মাস বর্ষাকাল। বর্ষার ভরা মৌসুমে এখন পর্যন্ত আশানুরূপ বৃষ্টির দেখা মিলছেনা।

গত কয়েকদিন সামান্য বৃষ্টি হলেও জমিতে পানি জমেনি। পানি না থাকায় বোনা আমন নিয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। অনেকে জমিতে পানি সেচ দিচ্ছে। এতে যোগ হয়েছে বাড়তি খরচের চিন্তা। বিদ্যুৎ এই আসে এই যায়, আবার লোডশেডিং। বিদ্যুতের উপর নির্ভশীল সেচেও ভরসা পাচ্ছে না কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলায় বোনা আমন ধান৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। তবে ধান হবে কিনা এ নিয়ে কৃষকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কৃষক দরিয়া হয়াতপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম, পালাখাল গ্রামের মোস্তাফা কামাল, সাচার গ্রামের রফিকুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছর বোনা আমন ধান চাষাবাদ হলেও ফসলি জমিতে নেই কোনো পানি। কয়েকদিন চিটে ফোঁটা বৃষ্টি হলেও জমিতে পানি জমেনি। প্রচন্ড তাপ দাহ যাহা বোনা আমন ধানের জন্য সহনীয় নয়। তাছাড়া ইউরিয়া সারের দাম বৃদ্ধিতে বেড়েছে বাড়তি খরচ। ধানের দাম না বাড়লে লোকশান গুনতে হবে । এতসব প্রতিকূলতার মধ্যে বোনা আমনের আবাদের ফসল ঘরে উঠানো আদৌ সম্ভব হবে কিনা এই সন্দেহের দোলা চলে দুলছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, চলতি বছর অনেক কৃষকই বোনা আমন চাষে আগ্রহী হয়েছে। কিন্তু এ ফসল পানির ওপর নির্ভরশীল। এখন বর্ষা মৌসুম হওয়া সত্বেও আশানুরূপ বৃষ্টির দেখা মিলছে না। এতে কৃষকদের কাঙ্খিত ফসল পাওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে।

Model Hospital

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।