রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের হানারচরে ভাতার টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়ে তদন্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২, ১২:৪৯ পিএম
চাঁদপুরের হানারচরে ভাতার টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়ে তদন্ত

সজীব খান : চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেওয়া বয়স্ক ভাতার টাকা কম দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে।

বুধবার বিকাল ৪টায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফহমিদা হক সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন। হানারচর ই্উনিয়নের সমাজকর্মী, ওয়ার্ড মেম্বার, ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভাতাভোগীদের টাকা কম দেওয়ার অভিযোগ উঠে। বিষয়টি সত্য কিনা তা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় তা নিয়ে তদন্ত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান।

সমাজ সেবা অফিসার জামাল উদ্দিন বলেন, বুধবারের ঘটনার সত্যতার যাচাইয়ের জন্য সদর ইউএনও হানারচরে গিয়ে ভাতাভোগীদের সাথে কথা বলবেন, ঘটনার সত্যতা জানবেন।

সরকার নতুন বইয়ে ভাতাভোগীদের জন্য ৬হাজার টাকা নির্ধারন করেন। কিন্তু হানারচর ইউনিয়নে ভাতাভোগীদের নির্ধারিত টাকা দেওয়া হয়নি বলে ভুক্তভোগী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন। ওয়ার্ড মেম্বার, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও ব্যাংক এশিয়ার কিছুু লোকের যোগসাজশে হানারচরের ভাতাভোগীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ আসে।

Model Hospital

এ নিয়ে রবিবার প্রিয় চাঁদপুর অনলাইন সহ চাঁদপুরের স্থানীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের দৃষ্টিতে পড়লে জেলা প্রশাসক বিষয়টি ৭দিনের মধ্যে তদন্ত করার জন্য সদর নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর সোমবার মোঃ জলিলকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেন। সোমবার কর্মদিবসে তাকে সেখানে যোগদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে বলে সমাজ সেবা অফিস থেকে জানা যায়।

অভিযুক্ত হানারচর ইউনিয়নের সমাজকর্মী মোঃ জলিল বলেন, শনিবার হানারচরে বিশটি বইয়ের টাকা দেওয়া হয়। ১০টি এখনো রয়েছে, সেগুলো উপজেলা থেকে বিরতন করা হবে। শনিবার যাদের যাদের টাকা দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের যার যার টাকা তার হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। টাকা মারার বিষয়ে আমি কিংবা আমার অফিস কিছ্ইু জানেনি। এখানে ভুল বুঝাবুুঝি হয়েছে। সবাই যার যার টাকা পেযেছে। অভিযোগটি সঠিক নয়।

হানারচরে ভাতা ভোগীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানা জানি হওয়ার পর অভিযুক্ত জালিলকে সাথে সাথেই স্ট্যান্ড রিলিজ করে কচুুয়া উপজেলায় বদলি করা হয়।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।