বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে সাংবাদিক ইসমাইল খান টিটুর নানির ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২, ২:১৯ পিএম
মতলব উত্তরে সাংবাদিক ইসমাইল খান টিটুর নানির ইন্তেকাল

মতলব উত্তর ব্যুরো : মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য, দৈনিক খবরপত্র ও দৈনিক চাঁদপুর পত্রিকার মতলব উত্তর প্রতিনিধি সাংবাদিক ইসমাইল খান টিটুর নানি এবং ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফারুক হোসেনের মাতা হোসনেয়ারা বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহ ….. রাজিউন)। বুধবার (১০ আগস্ট) সকাল ৮.২৫ ঘটিকার সময় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে মরহুমার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মরহুমার স্বামীর নাম মৃত আ. গফুর প্রধান। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ও ৪ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী ও আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

বুধবার বাদ আছর জানাযা নামাজ শেষে সামাজিক কবরস্থানে মৃতদেহ দাফন সম্পন্ন হয়।

জানাযার নামাজ পড়ান মাওলানা মাসুদুর রহমান। জানাযার নামাজে অংশগ্রহন করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সদস্য লায়ন আলহাজ্ব আরিফ উল্যাহ সরকার, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও গজরা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লা প্রধান, নাউরী আহম্মাদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম, নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফ উল্যাহ, ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরকার আবুল কালাম আজাদ, বাগানবাড়ি আইডিয়াল একাডেমির প্রধান শিক্ষক আ. আজিজ, বদরপুর আকবর আলী খান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান, ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আ. হান্নান, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আল-আমিন সরকার, সাংবাদিক’সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মরহুমার আত্মীয় স্বজন। মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় পরিবারবর্গের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মরহুমার বড় ছেলে ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফারুক হোসেন।

Model Hospital

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।