বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তির শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক ভড়ুয়া সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদাউস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:১৫ পিএম
শাহরাস্তির শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক ভড়ুয়া সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদাউস
রাফিউ হাসান হামজা : প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২২ এ চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরি বাছাইপর্বে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছে ভড়ুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদাউস।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত করা হয়। এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ এস.এম.সি (সভাপতি) নির্বাচিত করা হয়।
জান্নাতুল ফেরদাউস ভড়ুয়া সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষক ও নিজ বিদ্যালয়ের ইউনিট লিডার কাব দল এবং একজন প্রতিশ্রুতিশীল স্কাউটার।
তিনি ২০১৩ সালে কাব স্কাউট ওরিয়েন্টেশন, ২০১৫ সালে কাব বেসিক, ২০১৭ সালের অ্যাডভান্স ও স্কিল কোর্স  সম্পন্ন করেন। ২০১৮ সালে তিনি কাব শাখায় উডব্যাজ পার্সমেন্ট অর্জন করেন।  ২০২২ সালে তিনি সি.এ.এল.টি কোর্স সম্পন্ন করেন।
তার ইউনিট হতে ২০১৮ সালে একজন, ২০১৯ সালে একজন, ২০২০ সালে তিনজন জাতীয় পর্যায়ে শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করেন এবং ২০২১ সালে অঞ্চল পর্যায়ে ২ জন এ পুরষ্কার অর্জন করেন।
তিনি বিভিন্ন জাতীয় দিবসে নিজ ইউনিট নিয়ে উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় কাব ক্যাটাগরিতে এক ষষ্ঠক গার্ল ইন স্কাউটিং সদস্য সাথে নিয়ে সফলতার সাথে অংশগ্রহণ করেন। ২০১৯ সালে তিনি দশম জাতীয় ও তৃতীয় সানসো জাম্বুরিতে অফিসিয়াল হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া ২০২০ ও ২১সালে করোণাকালীন সময়ে অনলাইনে প্যাক মিটিং পরিচালনা, অনলাইন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও সেশন পরিচালনা করেন। তিনি বাংলাদেশ স্কাউটের জাতীয় সদর দপ্তর কর্তৃক ২০১৮ ও ২০১৯ সালে অধিক সংখ্যক প্যাক মিটিংকারী ইউনিট লিডার হিসেবে এবং ২০২২ সালে মুজিব শতবর্ষের ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতায় কবিতা লেখা বিষয়ে জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত হন।
উডব্যাজ অর্জনের পর তিনি দশটি কাব বেসিক, একটি কাব এডভান্স, পাঁচটি ওরিয়েন্টেশনে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৯ হতে উপজেলা কাব লিডারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
উল্লেখ্য জান্নাতুল ফেরদাউস ১৯৭৭ সালে নোয়াখালী জেলার চাটখিলের হীরাপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মো.আনোয়ার হোসেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী।বড় মেয়ে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ও অপর মেয়ে ঢাকা হলিক্রস কলেজে অধ্যয়নরত এবং তার স্বামী সর্বশেষ গ্রামীন ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এর দায়িত্ব পালন করে অবসর গ্রহন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।