বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা; ভোট প্রার্থনায় নারীদের কদর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১, ৩:০৫ পিএম
মতলব উত্তরে ইউপি নির্বাচনের প্রচারণা; ভোট প্রার্থনায় নারীদের কদর

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচারণা ও ভোট প্রার্থনায় কদর বেড়েছে নারী কর্মী ও সমর্থকদের। প্রার্থীর পক্ষে প্রতীক নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারী ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন তাঁরা।

প্রচারণার জন্য তাঁদের কেউ কেউ পারিশ্রমিক পান। আবার অনেকেই দলীয় কিংবা দূর সম্পর্কের আত্মীয়তার টানে প্রচারণায় নেমেছেন। তবে প্রচারকর্মীদের টাকা নেয়া-দেয়ার বিষয়টি কেউ স্বীকার করতে চায়নি।

জানা গেছে, ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থীদের প্রচারণায় ও ভোট প্রার্থনায় পুরুষদের পাশাপাশি নারী কর্মী ও সমর্থকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। ভোটগ্রহণের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রচারণায় নারী কর্মী সমর্থকদের সংখ্যা ততই বাড়ছে। প্রতিদিন সকালে ২০ থেকে ২৫ জন নারী কর্মী প্রার্থীর বাড়িতে বা নির্বাচনী অফিসে একত্রিত হন। এর পর তাঁরা দল বেঁধে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজ প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন।

মোহনপুর ইউনিয়নের শামসুন্নাহার, আম্বিয়া খাতুন, সুফিা বেগম’সহ আট-দশজন নারী কর্মী জানান, মজুরি অন্যান্য কাজের চেয়ে কিছু কম হলেও শারীরিক পরিশ্রম কম হওয়ায় তাঁরা প্রার্থীর হয়ে প্রচারণার কাজ বেছে নিয়েছেন।

Model Hospital

তাঁরা আরও জানান, সকাল ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরা নিজ নিজ প্রার্থীর প্রতীক পৌঁছে দিয়ে ভোট চাইছেন। এ জন্য তাঁদেরকে প্রতিদিন ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রার্থীর বাড়িতে চা-নাস্তাসহ দুপুরের খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে তাঁদের জন্য।

সুলতানাবাদ ইউনিয়েেনর বাসিন্দা তোফায়েল বলেন, নারী কর্মীরা গ্রাম বা পাড়া মহল্লায় বাসাবাড়িতে ঢুকে প্রচারকাজ চালাতে পারেন, এ জন্য নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থীদের কাছে নারী কর্মী ও সমর্থকদের কদর বেড়েছে।

ওই ইউনিয়নের আরেক বাসিন্দা সাহেব আলী বলেন, পুরুষ কর্মীরা বাসাবাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু নারী কর্মীরা সংকোচ ছাড়াই বসতবাড়ির ভেতরে ঢুকে নিজ প্রার্থীর হয়ে নারী ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করতে পারেন। এ জন্য প্রার্থীরাও তাঁদের পক্ষে নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে সব প্রার্থীই কমবেশি নারী কর্মীদের দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

মোহনুপর ইউপিতে সাধারণ সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী আলমগীর কবিরাজ জানান, তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় স্থানীয় পুরুষ সমর্থক ছাড়াও নারী আত্মীয়স্বজনও প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সুলতানাবাদ ইউপিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক খোকন বলেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে স্থানীয় নারীরাও নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজন তো আছেই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।