শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

আটজনের হাতে উঠল চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২, ২:২০ পিএম
আটজনের হাতে উঠল চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার

মাত্র চার বছরের কর্মকাণ্ডে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি জাতিকে ভাবতে শিখিয়েছে;

একুশে পদক প্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক

নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশের ৮ গুণী ব্যক্তির হাতে তুলে দেয়া হলো চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার ২০২২।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় চাঁদপুর রোটারী ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন একুশে পদক প্রাপ্ত দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক। তিনি বলেন, মাত্র চার বছরের কর্মকাণ্ডে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি জাতিকে ভাবতে শিখিয়েছে। আমি ভাবতেও পারিনি এমন একটি সংগঠনের আমন্ত্রণ পেয়ে চাঁদপুরের মতো বিখ্যাত জেলায় আসতে পারবো।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে ও মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সজীব মোহাম্মদ আরিফ ও সদস্য সচিব দুখাই মুহাম্মাদ।

Model Hospital

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মনি হায়দার ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন মিলন।

শংসাপত্র পাঠ করেন সহ-সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা, পরিচালক শিউলী মজুমদার, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, উপ-পরিচালক জান্নাতুল ফেরাদউস সুপ্ত, সাংস্কৃতিক পরিচালক কাকলী চক্রবর্তী, তথ্য পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া, নারী উদ্যোক্তা ইলা ইয়াসমিন ও সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি।

এ সময় কবিতায় হেনরী স্বপন, কথাসাহিত্যে পলাশ মজুমদার, গবেষণা সাহিত্যে রকিবুল হাসান, প্রবন্ধে পীযূষ কান্তি বড়ুয়া, অনুবাদে মাসুদুল হক, শিশুসাহিত্যে হুমায়ূন কবীর ঢালী, কারুশিল্পে সমীরণ চন্দ্র দত্ত এবং সংগঠনে সুমা ভৌমিকের হাতে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার ২০২২ তুলে দেয়া হয়।

জনপ্রিয় হাওয়াইয়ান গিটারশিল্পী দিলীপ ঘোষের মনোমুগ্ধকর গিটার পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অন্ষ্ঠুানের শুভ সূচনা হয়।

অন্যান্যদের মাঝে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জলছবি সম্পাদক কবি জামসেদ ওয়াজেদ, বিন্দুবিসর্গ সম্পাদক কবি সাবেদ আল সাদ, নজরুল গবেষণা পরিষদের সভাপতি মোশারেফ হোসেন, চাঁদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি তছলিম হোসেন হাওলাদার, কবি খালেদ রাহী, চর্যাপদের নিয়ন্ত্রণ পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল্লা কাহাফ, উপমহাপরিচালক নন্দিতা দাস, সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিক, বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীম।

২০১৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার প্রদান করে আসছে। এর আগে তপন বাগচী, শাহেদ কায়েস, ফারহানা রহমান, মিলু শামস, সৈয়দ শিপুল, অদ্বৈত মারুত, রহমান হাবিব, স্বরূপ রতন দত্ত, বীরেন মুখার্জী, হামিদ কায়সার, জামসেদ ওয়াজেদ সহ দেশের অনেক গুণী লেখক এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।