বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

থানায় অভিযোগ দিয়েও আতঙ্কিত প্রতিবন্ধী পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২, ১:০৯ পিএম
থানায় অভিযোগ দিয়েও আতঙ্কিত প্রতিবন্ধী পরিবার

মতলব উত্তর ব্যুরো : মতলব উত্তর উপজেলায় বখাটে ও মাদকসেবী দ্বারা প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মতলব উত্তর থানার নেদামদী বরইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা জিসান মিজি ও জাহাঙ্গীর মিজির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী মাসদ রানা মতলভ উত্তর থানায় অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে নির্যাতিত শারীরিক প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

ভুক্তভোগী মাসুদ রানা বলেন, আমাদেরকে রাস্তা ঘাটে, হাটে বাজারে’সহ বাড়ীর উঠানে পর্যন্ত এসে গালমন্দ, বাড়ীতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ’সহ ক্ষতি করতে থাকার এক পর্যায় ২৭ নভেম্বর দুপুর ২টায় আমি বাড়ী থেকে আমার দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে জাহাঙ্গীর মিজির হুকুমে জিসান মিজি’সহ অজ্ঞাত নামা ২/৩জন দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির লোকজন নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতে লাঠি সোটা, লোহার দাড়ালো দা, লোহার পাইপ ইত্যাদি দেশিয় অস্ত্রে সস্ত্র দিয়ে আমার পথরোধ করে। জিসান মিজি তাহার হাতে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারী পিটাইয়া আমার হাতে, পায়ে, পিঠে, কোমড়ে, বাম চোখের পার্শ্বেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তমূখা জখম করে।

তিনি আরো বলেন, স্কুটার থেকে মাটিতে পরিয়া গেলে, জিসান মিজি’সহ অজ্ঞাত নামা আসামীরা লাঠি সোটা দ্বারা আমাকে এলোপাথারী পিটাইয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করে বারি মারলে, উক্ত বারি আমি আমার দুই হাতদ্বারা প্রতিহত করিতে গেলে, উক্ত বারি আমার ডান হাতে পরে, হাতের একটি আঙ্গুলে হাড় ভাঙ্গা জখম হয়।

প্রতিবন্ধী মাসুদ রানা বলেন, জিসান মিজি আমার সাথে থাকা বিকাশ ব্যবসার ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেয়। তারা আমার স্কুটার ও স্কুটারের মধ্যে থাকা ব্যবহৃত এনড্রোয়েট মোবাইল ফোন, ১টি ঘরি ভাংচুর করে ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।

Model Hospital

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন বলেন, বিষয়টি দেখছি। জমি সম্পর্কে বিরোধে এমনটি হচ্ছে। একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’