বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

একটি দিয়ে শুরু করে ৩০টি গরুর মালিক আব্দুল মমিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:২৯ পিএম
একটি দিয়ে শুরু করে ৩০টি গরুর মালিক আব্দুল মমিন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিদেশ ফেরত আব্দুল মমিন ২০১৯ সালে প্রথমে একটি গাভী গরু দিয়ে ফয়শাল ডেইরী ফার্মের কার্যক্রম শুরু করেন। গাভীর বাছুর থেকে একটি দুইটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩০ টি গরুর মালিক। যেখানে দৈনিক প্রায় দুইশত লিটার দুধ বিক্রি করে মাসে আয় লাখ টাকার উপরে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মৃত হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে  আব্দুল মমিন (৪৫) ৮ শতাংশ জায়গার উপর গড়ে তোলেন ফয়শাল ডেইরী ফার্ম। দুগ্ধ খামারের চার দিকে বেড়া আর ভিতরের পরিবেশ সুন্দর রাখতে নিয়োজিত রয়েছেন কয়েকজন শ্রমিক। খামারে থাকা এ ৩০ টি গরুর খাবার থেকে শুরু করে পরিচর্যা কাজে এসব শ্রমিকরা দিন রাত নিয়োজিত রয়েছেন।

প্রতিদিন সকাল ও বিকালে দুগ্ধজাত গরু থেকে প্রায় দুইশ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। যা পরবর্তীতে উপস্থিত পাইকারদের কাছে নগদ টাকায় বিক্রি করা হয়। এসব পাইকাররা হাজীগঞ্জ বাজারের হোটেল ও বাসা বাড়িতে হাতে কেটে বিক্রি করে আসছে বলে জানাযায়।

পাইকার রহমতউল্ল্যাহ বলেন, আমি গত ৩/৪ বছর ধরে এ ফয়শাল ডেইরী ফার্ম থেকে দুধ নেই। এতে করে আমাদের পরিবার চলে।

Model Hospital

ফার্মে থাকা নিয়োজিত শ্রমিক হুকুম আলী বলেন, আমরা ৩ জন শ্রমিক ৮ ঘন্টা করে ঘাস, খৈল, ভূষিসহ নানা খাবার ও পরিষ্কার পরিচর্যা কাজে নিয়োজিত রয়েছি।

ফয়শাল ডেইরী ফার্মের মালিক আব্দুল মমিন বলেন, প্রবাস থেকে এসে কোন দিক না পেয়ে ২০১৯ সালে আমার এখানে ছোট আকারে ঘর তৈরি করে একটি দুগ্ধজাত গরু দিয়ে কাজ শুরু করি। আস্তে আস্তে খামারে গরু বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩০ টি গরু রয়েছে। প্রিজিয়াম জাতের এসব গরু থেকে দৈনিক প্রায় ২০০ কেজি দুধ হাজীগঞ্জ বাজারে বিক্রি হয়। একাধিক পাইকার রয়েছে যারা ফার্ম থেকে দুধ ক্রয় করে নেয়।

শ্রমিক রয়েছে তিনজন যার পেছনে মাসে প্রায় লাখ টাকা খরচ হয়। এর আগে প্রতিমাসে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আয় থাকতো কিন্তু বর্তমানে খাবারের দাম বৃদ্ধির কারনে লাখ টাকার নিচে আয় নেমে গেছে।

আমার এ ১০ শতাংশ জায়গার উপর ঘরের পরিধি বৃদ্ধি করে শতাধিকের গরু রাখতে কোটি টাকার উপরে পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইদানিং খাদ্যের দাম বাড়ায় ফার্মের পরিধি বৃদ্ধির তেমন পরিকল্পনা নেই। তবে সরকারি ভাবে যদি সহযোগিতা বা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে ঔষধপত্র পেলে আরো লাভের মুখ দেখতে পাবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।