বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩, ২:০৩ পিএম
কচুয়ায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মোঃ রাছেল : চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির আলমগীর হোসেনের চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তানজিনা আক্তার রিয়ার (২১) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন কচুয়া থানা পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কচুয়া থানার পুলিশ খবর পেয়ে রিয়ার স্বামী গৃহের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলানো অবস্থায় এ লাশ উদ্ধার করে।

রিয়ার পিতৃালয় উপজেলার বড়তুলাগাঁও গ্রামে। প্রায় ৩ বছর পূর্বে রিয়ার সাথে প্রবাসে থাকা আলমগীরের মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়। বিয়ের দেড় বছর পর আলমগীর দেশে ফিরে আসার পর তারা ধর্মীয় রীতি-নীতি অনুসারে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কয়েক মাস সুখে শান্তিতে বসবাস করার পর শুরু হয় তাদের মধ্যে মনোমালিন্য। এ মনোমালিন্য কয়েক মাস পূর্ব থেকে চরমে উঠে। রিয়া শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে থাকে স্বামী গৃহে। এ নিয়ে বেশ কয়েকদফা শালিশ বৈঠক বসে। রিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পিতা আকতার হোসেন মিন্টু কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, ৯ জানুয়ারী রাত সাড়ে ৮ টার দিকে রিয়ার স্বামীর ফোন দেখার বিষয় নিয়া তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়। রাত ১২ টার দিকে রিয়ার স্বামী ফোনে আমাকে জানায় যে, তাদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য। তখন মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে জানতে পারি তার স্বামী তাকে ২/৩টি চর থাপ্পর মেরেছে। আমি তাকে ঝগড়া না করে শান্ত থাকার জন্য পরামর্শ দেই। পরবর্তীতে রিয়া রাগ করে গৃহের ভিতরে শয়ন কক্ষের দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়ে।

Model Hospital

তার স্বামী অন্য কক্ষে ঘুমায়। মঙ্গলবার সকালে রিয়ার স্বামী আলমগীর হোসেন কক্ষের দরজা ধাক্কা ধাক্কি করেও দরজা খোলেনি ও রিয়াকে ফোন দিলে সে ফোন রিসিভ করেনি এ বিষয়টি রিয়ার স্বামী আমাকে ফোনে জানালে তাৎক্ষনিক আমরা আলমগীরের বাড়ি পৌছে দরজা ভেঙ্গে দেখতে পাই সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস অবস্থায় রিয়ার ঝুলন্ত লাশ।

কচুয়া থানার ওসি মো. ইব্রাহীম খলিল জানান, এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে, মামলা নং (১)। ময়না তদন্তের জন্য রিয়ার লাশ চাঁদপুরের মর্গে পাঠানো হয়েছ। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে সদালাপি ও উত্তম ব্যবহারের অধিকারিনী রিয়ার ঝুলন্ত লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে এলাকার শতশত নারী পুরুষ তাকে নজর দেখতে ছুটে আসে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।