বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পেশাগত দায়িত্ব পালনে দুর্ঘটনার স্বীকার হলে নগদ অর্থ সহায়তার ঘোষণা হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৩, ২:৩৮ পিএম
পেশাগত দায়িত্ব পালনে দুর্ঘটনার স্বীকার হলে নগদ অর্থ সহায়তার ঘোষণা হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির

স্টাফ রিপোর্টার : হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম সভা ও সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন উপহার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ মধ্য বাজারে রোটারি ক্লাব কার্যালয়ে হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নব-গঠিত কমিটির সভাপতি মুন্সী মোহাম্মদ মনিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সিফাতের সঞ্চালনায় সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যকরী কমিটির সদস্য খালেকুজ্জামান শামীম, সাহিদুজ্জামান ঝুটন, শাখাওয়াত হোসেন, গাজী নাছির, ইমাম হোসেন হীরা।

অনুষ্ঠানে ওই সময় বক্তব্য রাখেন, হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি হাসান মাহমুদ, কামরুজ্জামান টুটুল, মনিরুজ্জামান বাবলু, মুনছুর আহমেদ বিপ্লব, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্, সাইফুল ইসলাম, পাপ্পু মাহমুদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এস এম মিরাজ মুন্সী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুজন দাস।

বক্তব্য শেষে হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সকল সদস্যদের হাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়।
সভায় ৩৭ সদস্যের মধ্যে ৩৪ জন উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন, হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শামীম, জহিরুল ইসলাম জয়, সংগঠনিক সম্পাদক গাজী মহিন উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর দাস, দপ্তর সম্পাদক মজিব পাটোয়ারী, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন, প্রচার সম্পাদক হোসেন বেপারী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা, ক্রীড়া ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত বাপ্পি, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম নয়ন, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক জহির হোসেন, সদস্য কবির আহমেদ, আলমগীর হোসেন, মজিবুর রহমান রনি, মোহাম্মদ উল্যাহ বুলবুল, মাঈনুদ্দিন মিয়াজী ও রিয়াজ শাওন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক জহির হোসেন, ও গীতা পাঠ করেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুজন দাস।

প্রসঙ্গত, পেশাগত দায়িত্ব, তথ্য ও নিজেদের ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে সাংবাদিকতায় দক্ষতা, বস্তুুনিষ্ঠতা, সততা এবং সংবাদকর্মীদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা সৃষ্টির মহান লক্ষ্য নিয়ে ২০০৭ সালে হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। সংগঠনটি সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রতিভা বিকাশ, পেশাগত মান উন্নয়ন, কর্মশালা, উচ্চতর প্রশিক্ষণ, মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, সহমর্মিতা ও স্বার্থ রক্ষা, সংগঠনের সদস্যদের জন্য কল্যাণমূলক কর্মসূচী, পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক মান উন্নয়নে প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোন সদস্য দুর্ঘটনার স্বীকার হলে ৫ হাজার টাকা ও কোন সদস্য মারা গেলে এককালীন ৫০ হাজার টাকা তার পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা করার ঘোষণা প্রদান করে হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।