বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে দুই প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩, ৬:২২ পিএম
বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে দুই প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: একটা সময় নিজেও প্রবাস জীবনে থেকে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলেন। দেশে এসে যে যেখান দিয়ে জায়গা বিক্রি করবে অন্যজনকে সুযোগ না দিয়ে বেশী দামে ক্রয় করাই যেন তার নেশা। এভাবে গত এক যুগের উপরে নিজ বাড়ী থেকে শুরু করে পাশ্ববর্তী এলাকায় গড়ে তোলেন একাধিক ঘর বাড়ী।

অর্থের গরমে বিয়েও করেছেন একাধিক। তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে দিয়ে দেন মিথ্যা, তুচ্ছ ও বিরক্তিকর মামলা। তারই বাস্তবতায় এবার কাতার প্রবাসী সাখাওয়াত হোসেন ও সৌদি প্রবাসী জসিম উদ্দিনের বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠে।

অভিযুক্ত এ ব্যক্তি হচ্ছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের চালিয়াপাড়ার মৃত ছলেমান কাজীর ছেলে মো. বাচ্চু কাজী।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চালিয়াপাড়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে কাতার প্রবাসী সাখাওয়াত হোসেন ও হোসেন কাজীর ছেলে সৌদি প্রবাসী জসিমউদ্দিন দেশে আগে পরে ছুটিতে আসেন। পূর্বপুরুষের নিজ বাড়ীতে এসে দেখেন তাদের সাথে এলাকার ভূমিদস্যু বাচ্চু কাজীর জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। বাচ্চু কাজীর দাদা মোহাম্মদ কাজীর নামে ভুলবসত এ ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবারের জায়গা নাম উঠে। এতে রেকর্ড সংশোধনীর মামলা চলমান রয়েছে। বাচ্চু কাজী সম্পদের লোভে পড়ে চলতি বছরের শুরুতে এ দুই প্রবাসী যেন বিদেশ যেতে না পারে এ জন্য চাঁদপুর আদালতে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ২৬/২০২৩।

Model Hospital

এ বিষয়ে আদালত ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই সাথে স্থানীয় সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেনকে সরেজমিন তদন্ত করার নির্দেশ দেন। মামলার সাথে বাস্তবতার কোন মিল না পেয়ে চেয়ারম্যান একটি লিখিত প্রতিবেদন ভুক্তভোগী দুই প্রবাসীর পক্ষে দেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী প্রবাসী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ বাচ্চু ইতিপূর্বে একাধিক মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এখন আমি ও আমার বাড়ীর প্রবাসী জসিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে যেন আমরা বিদেশ যেতে না পারি। চেয়ারম্যান মেম্বার তদন্ত করে বাচ্চুর সাথে আমাদের কোন মারামারির ঘটনা প্রমাণ পায়নি। তার টাকা আর ক্ষমতার কাছে আমরা অসহায়। তাই এ ভুমিদস্যুর বিরুদ্ধে যেন প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেয় এ জোড় দাবি জানাই।

এ বিষয়ে বাচ্চু কাজী বলেন, তারা আমার আগে বিদেশ করেনি, কত টাকার মালিক হয়েছে তা আমি দেখবো। এ মামলার বাহিরে আরো মামলা আছে, প্রয়োজনে ভিন্ন ধাপে এগিয়ে যাবো তার পরেও সর্বশেষ দেখে নেবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।