বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৭৬ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২:২২ পিএম
ফরিদগঞ্জে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৭৬ জন

এস এম ইকবাল: ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মোট ৪৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এরমধ্যে এইচএসসিতে

৮টি কলেজের মোট ১৮৭৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৮০৮জন। পাশের হার ৯৬.৫৩ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৭জন।

৮টি কলেজের মধ্যে সর্ব্বোচ ফলাফল করেছে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ । এই কলেজ থেকে ২৫৯জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০২২ সালে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে ৬৫৩জন শিক্ষার্থী, এরমধ্যে উত্তির্ন হয়েছে ৬৫২জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫৯, এ গ্রেড পেয়েছে ৩৫০, এ মাইনাস ৩৪ এবং বি গ্রেড পেয়েছে ৯জনসহ ৯৯.৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে।

আলিমে উপজেলার ২৭টি মাদ্রাসা থেকে ৬৮৬জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬৬৭জন। পাশের হার ৯৭.২৩ ভাগ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭জন।
ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে ১১জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া এইচএসসি (বিএম) এর মধ্যে দুইটি প্রতিষ্ঠানের ৮৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৭৯জন। পাশের হার ৯৫.১৮ ভাগ।

Model Hospital

মূলপাড়া সামছুদ্দিন কারিগরি বাণিঝ্য কলেজ থেকে মোট ১২জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদিকে শতভাগ পাশের ক্ষেত্রে কলেজ পর্যায়ে একটি ও মাদ্রাসার ১৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।