রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই স্বামীর সাথে সংসার করছে হাজীগঞ্জের শিল্পী!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৪:৩৮ পিএম
দুই স্বামীর সাথে সংসার করছে হাজীগঞ্জের শিল্পী!

নিজস্ব প্রতিনিধি : কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়িয়ে আসার মতো ঘটনা। সম্পত্তির দলিল খুঁজতে গিয়ে বেড়িয়ে এলো কাবিননামার কাগজ! কিন্তু কার এই কাবিননামা। কাবিননামার কাগজটি পড়তেই বেড়িয়ে এলো চাঞ্চল্যকর এক তথ্য। জানতে পারলো তার স্ত্রী সাত বছর আগে কোর্ট ম্যারিজের মাধ্যমে রাজধানীর ডেমরার এক ছেলের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। একই সাথে আবার করছেন দুই স্বামীরই সংসার। ওই নারীর বিরুদ্ধে আছে প্রথম স্বামীর কাছ থেকে প্রতারণা করে নগদ ৭৫ লাখ টাকাসহ কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

ঘটনাটি ঘটেছে হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামের সর্দার বাড়িতে। বুধবার বিকেলে সরেজমিন গেলে তার স্বামী শহীদ উল্যাহ জানান, ওই বাড়ির মৃত ছফি উল্ল্যাহর ছেলে শহিদ উল্ল্যাহর সাথে একই গ্রামের মিজি বাড়ির মৃত নূর আহমদের মেয়ে রীনা আক্তার শিল্পীর সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ১৯৯৫ সালে।

বিয়ের পর স্ত্রী রীনা আক্তার শিল্পীর প্রবাস ভ্রমণের সুযোগও হয় দুইবার। দুই প্রবাস ভ্রমণে ও দাম্পত্য জীবনে শহিল উল্ল্যাহ-শিল্পীর কোল আলো করে দুই কন্যা সন্তান। ওই সন্তানগুলোও এখন বড় হয়েছ গেছে এবং তাদের বিয়েও দেয়া হয়েছে।

শহিদ উল্ল্যাহ-শিল্পীর দাম্পত্য জীবনে বিপত্তি বাঁধে শিল্পির আশ্চার্যজনক আচরণে ২০১৬ সালে। সন্দেহজনক হলে দেশে এসে জানতে পারে প্রবাস জীবনে উপার্জিত টাকায় ক্রয় করা সম্পত্তির অর্ধেক স্ত্রী শিল্পি আর অর্ধেক শহিদ উল্ল্যাহর নামে।

Model Hospital

রীনা আক্তার শিল্পীর সন্দেহজনক আচরণ, সকাল-সন্ধ্যায় আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার নামে যেত দ্বিতীয় স্বামীর কাছে।
হঠাৎ সম্পত্তির দলিল খুজতে গিয়ে বেড়িয়ে এলো ঢাকা ডেমরার ডগাইর ভুট্টোরোড এলাকার মৃত হায়দার আলীর ছেলে রাসেলের সাথে ২০১৬ সালে কোর্ট ম্যারিজের মাধ্যমে বিয়ে হয় শিল্পীর।

বিষয়টি নিয়ে বার বার স্থানীয় গ্রাম্য আদালতে সমাধানের জন্য ডাকা হলেও উপস্থিত হয়নি ওই নারী বা তার পরিবারের কেউ। উল্টো সাত বছর একসাথে দুই স্বামীর সংসার করার পর গেলো কয়েকদিন আগে বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজ পাঠান শিল্পী।

এসব বিষয়ে ওই নারীর স্বজন তাজুল ইসলাম, আবুল হোসেন, মো. জাকির হোসেন, হেলাল উদ্দিন ও মো. রবিউল হাসানকেও অভিযুক্ত করেন স্বামী শহিদ উল্ল্যাহ।

তবে রীনা আক্তার শিল্পীর বড় বোনের স্বামী আবুল জানান, দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে বিবাহ বিচ্ছেদ করা হয়েছে। শহিদ উল্ল্যাহর সাথে পুনরায় তাওবা করে বিয়ে দেওয়া হয়। তখন মেনে নিলেও এখন পাল্টে গেছে।

এদিকে শিল্পীর মোবাইল নাম্বারে তার বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলে ও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার মেয়ে জানান, সে এখন ঢাকায় তার আরেক স্বামীর সাথে রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তা সমাধানও হয়েছে। তবে নতুন করে কি হয়েছে জানা নাই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তাঁরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলা এবং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সমবেদনা জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল। খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদ মিয়াজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি সোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাগর, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এএসএম বদরুদ্দোজা দুলাল পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুলতান কাজী প্রমুখ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরান হোসেন মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জিলানী তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মিয়াজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাবের ছিদ্দিকি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ মাহমুদ জিসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গেল মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।