শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ : বেকার হয়ে পড়বে ৫০ হাজার জেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৫:২৩ পিএম
চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ : বেকার হয়ে পড়বে ৫০ হাজার জেলে
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম অঞ্চলে আজ থেকে সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ। অর্ধ লক্ষাধিক জেলে বেকার হয়ে পড়বে। বরাদ্দ কম আসায় চাল সহায়তা থেকে বঞ্চিত ৪ হাজার জেলে পরিবারের হতাশা দেখা দিয়েছে। এনজিওর কিস্তি নিয়ে জেলেরা আতংকে।

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা রক্ষায় সরকার চাঁদপুর, শরীয়তপুর, লক্ষীপুর, বরিশাল ভোলার পদ্মা-মেঘনাসহ দেশের ৬ টি নদী অঞ্চলে মার্চ এপ্রিল অভয়াশ্রম ঘোষনা করে সকল প্রকার জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে। আজ থেকে অভয়াশ্রম কার্যক্রম শুরু হবে।

চাঁদপুর জেলার সদর, হাইমচরে,মতলব ও দক্ষিন উপজেলার মেঘনার ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রমের অন্তর্ভুক্ত। অভয়াশ্রমের কার্যক্রম শুরুর সাথে এ চার উপজেলার অর্ধ লক্ষাধিক জেলে বেকার হয়ে পড়বে।সরকার জেলার নিবন্ধিত ৪৪ হাজার জেলের মধ্যে ৪০ হাজার জেলের জন্য প্রতিনাসে ৪০ কেজি করে চার মাসের জন্য চাল বরাদ্দ প্রদান করেছে। চলতি বছর জানুয়ারী ফেব্রুয়ারি ছোট প্রজাতির মাছের  পোনা রক্ষায় কম্বিং অপারেশনের সমন্বয় করে জানুয়ারী থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়।জানুয়ারী মাসের চাল বিতরন করা হয়েছে,ফেব্রুয়ারি মাসের চাল বিতরন চলছে। ৪ হাজার জেলের চাল বরাদ্দ না আসায় তাদের পরিবার পরিজনের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
অধিকাংশ জেলে ব্রাক,আশাসহ বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে জাল নৌকা মেরামত করে।মাছ ধরা বন্ধ হয়ে পড়লে তারা কিভাবে লোনের কিস্তি প্রদান করবে।এনিয়ে তাদের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েক বছর জেলা টাস্কফোর্সের সভায় নদীর তীরবর্তী এলাকায় জেলের কাছ থেকে অভয়াশ্রমের দুমাস জেলে পরিবারের কাছ থেকে কিস্তি না নেয়ার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট এনজিও প্রতিষ্ঠানকে পত্র দেয়া হয়।যা কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ হয়নি।বিগত বছর দেখা যায় জেলা টাস্কফোর্সের নিষধ করার পরও কিস্তি আদায় বন্ধ হয়নি।এ য়েনো জেলে পরিবারের মাঝে মরার উপর খরার ঘা।এর ফলে জেলে পরিবারের মাঝে ক্ষোভ দেখা দেয়।
চাঁদপুর কান্ট্রি ফিসিং বোট মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম মল্লিক বলেন আমরা আড়ৎদার ও বিভিন্ন এনজি থেকে লোন নিয়ে জাল নৌকা মেরামত, ভাগীদার জেলেদের অগ্রিম টাকা দিয়ে থাকি। এছাড়া অনেক ভাগীদার জেলে সাংসারিক প্রয়োজনে লোন নিয়ে থাকে।অভয়াশ্রমের সময় কিস্তির টাকা পরিশোধে তারা চরম বেকায়দায় পড়ে।এছাড়া বরাদ্দ না আসায় জেলার ৪ হাজার নিবন্ধিত  জেলে চাল পায়নি।তিনি চাল সহায়তা বঞ্চিত নিবন্ধিত ৪ হাজার জেলের জন্য দ্রুত চাল সহায়তার প্রদানের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।পাশাপাশি অভয়াশ্রমের সময় কিস্তি আদায় বন্ধে কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য  জেলা টাস্কফোর্সের সভাপতি ও জেলা প্রশাকের নিকট দাবি জানান।
এব্যাপারে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মেহেদী হাসান বলেন মেঘনার ৭০ কিলোমিটার নদী অঞ্চলে অভয়াশ্রমে কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা টাস্কফোর্সের প্রয়োনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জেলা টাস্কফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বরাদ্দকৃত জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারি মাসের চাল বিতরন করা হয়েছ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital