বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে ফরিদগঞ্জে ধানের চারা কেটে মাছ চাষের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩, ৩:১৪ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে ফরিদগঞ্জে ধানের চারা কেটে মাছ চাষের অভিযোগ

এস এম ইকবাল : আসন্ন দুভিক্ষের কথা মাথায় রেখে দেশের এক ইঞ্চি জমি খালি না রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এক্ষেত্রে তিনি কৃষকদের ধানচাষের উপর মনোনিবেশ করার অনুরোধ করেন। কিন্তু ফরিদগঞ্জের চরমথুরা চরে দেখা গেছে তার উল্টো চিত্র। এখানে ধানের চারা কেটে মাছ চাষের উপযোগী করে তুলছে একদল মৎস ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

ঘটনার বিবরণ এবং থানায় অভিযোগপত্রের মাধ্যমে জানা যায়, চরমথুরার চর প্রতিবছরের মতো এবারও টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইজাড়া দেওয়া হয়। এবছর ডাক পেয়েছেন স্থানীয় মাছ ব্যবাসীয় বকুল।

এদিকে প্রতিবছরই শুকনা ওই চরে মৌসুমের কৃষকরা ধান চাষ করে। আর বর্ষা মৌসুমে মাছ চাষ করা হয়। এ বছরও কৃষক ধান চাষ করেছে। ধানের চারা বড়ও হয়। কিছু দিন পর হয়তো ধানে চড়া বের হবে। হঠাৎ করে বকুল গত প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন পূর্বে চরে পানি ছেড়ে দেয়।

সর্বশেষ গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার শেষ বিকেলে লোক লাগিয়ে কৃষকদের প্রায় ১০/১৫ শতাংশ জমির ধান কেটে ফেলে। এ নিয়ে বকুলের সাথে কৃষকদের বিরোধ বাঁধে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কৃষকদের মধ্যে মো.রবিউল বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

Model Hospital

এ বিষয়ে কৃষক মো. রুবেল হোসেন, মো. তোফাজ্জল বেপারী, মো. জাহেদ বেপারীসহ আরো অনেকেই এ প্রতিনিধিকে জানান, আমরা চরে ধান লাগিয়েছি। চরে সবসমই ভালো ধানের ফলন হয়। এবারো ধানের ভালো ফলন হওয়ার আশা ছিল আমাদের। কিন্তু চর কমিটি আমাদের সাথে অন্যায় করে ধান আসার পূর্বেই চর ইজারা দিয়ে দেয় এবং ইজারাদার আমাদের না জানিয়ে চরে পানি ও মাচ চেড়ে দেয়।

সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী শেষ বিকেলে ইজারাদার ৭জন লোক লাগিয়ে আমাদের ধান কেটে ফেলেছে। আমরা তার দৃষ্টান্ত বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইজারাদার বকুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ১২ মাসের জন্য এই চরটি প্রায় ২১ লক্ষ টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছি চর কমিটির কাছ থেকে। নদিতে পানি এসেছে তাই আমি চরে পানি দিয়ে অনেক প্রজাতির মাছ চেড়েছি। এখন চর কমিটি যদি ধান রাখতে চায় তাহলে আমার ক্ষতিপুরন কে দেবে? ধান কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার দুইজন লোক গতকাল কিছু ধান কেটেছে।

এ বিষয়ে চর কমিটির সভাপতি মোবারক মেম্বার জানান, আমরা প্রতি বছর এ চরে ধানের দামসহ ইজারা দিয়ে থাকি। কিন্তু এবার আমাদের না জানিয়ে কিছু কৃষক চরে ধান লাগিয়েছে। আমি তাদে নিষেদ করেছি। এখন যেহেতু একটি সমস্যা হয়েছে তা সমাধন করবো।

এ বিষয়ে এ.এস.আই আমজাদ হোসেন বলেন, আমি ধান কাটার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ধান উৎপাদনের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital