চাঁদপুরে সাড়ে ১৩ হাজার নারী পাচ্ছেন ভিজিডি কার্ড
সজীব খান : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুস্থ মহিলা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরে ১৩ হাজার ৮শত ২১ জন চলতি বছর ভিজিডি কার্ড পেয়েছেন।

চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলার এ কার্ডধারীরা টানা ২ বছর মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে নতুন কার্ডধারীর চাল ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণের জন্য নিয়ে গেছেন। আবার কোথায়ও কোথায়ও বিতরণ চলছে। দুস্থ মহিলাদের উন্নয়নে সরকারি এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন উপকার ভোগীসহ সাধারণ জনগন। আর এরই ধারাবাহিকতায় দুস্থ মহিলা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় পরবর্তী ২৪ মাসের জন্য (১ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ২ বছর নতুন ফেজে ভিজিডি কার্ড পাবেন তারা।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, ভিজিডি কার্ডধারীদের বয়স হবে ২০-৫০ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে যেসব ভূমিহীন পরিবারে মহিলা প্রধান ও আয়ের অন্য কোনো উৎস নেই এবং যেসব পরিবারে ২৪ মাসের কম বয়সী শিশু রয়েছে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এছাড়া যেসব পরিবারে বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিশোরী আছে ও যেসব পরিবারে অটিজম/প্রতিবন্ধী সদস্য আছে সেসব পরিবারও বাছাইয়ের অগ্রাধিকার পাবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সমিতি (বাপসার) সাবেক নির্বাচিত প্রচার সম্পাদক, আশিকাটি ইউপি সচিব আবু বকর মানিক বলেন, তার ইউনিয়নে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদনের মাধ্যেমেই ভিজিডি কার্ড করা হয়েছে। ইউনিয়নের দুস্থ মাহিলাদের তালিকা করে উপজেলা কমিটির অনুমোনের পরেই আশিকাটিতে ভিজিডি কার্ড করা হয়েছে। সম্পূর্ন্ন স্বচ্ছ ভাবেই তা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু পাটওয়ারী বলেন, দুস্থ নারীদের উন্নয়নে ভিজিডি কার্ডের প্রচলন সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে একই সঙ্গে যেমন দুস্থ পরিবারগুলোর খাদ্য ঘাটতি দূর হচ্ছে, তেমনি যেসব পরিবারে বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিশোরী বা প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে সেসব পরিবারও বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, তার ইউনিয়নে যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে নীতিমালা অনুযায়ী ভিজিডির উপকারভোগী বাছাই করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বলেন, দুস্থ মহিলাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভিজিডি কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চাঁদপুরে এবার নতুন ১৩ হাজার ৮শত ২১ জন দুস্থ নারী ভিজিডি কার্ড পাবেন।








