শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এখনো জমে উঠেনি ঈদ বাজার হতাশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩, ৯:৩৯ এম
এখনো জমে উঠেনি ঈদ বাজার হতাশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

ঈদুল ফিতর সামনে রেখে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে ক্রেতাদের তেমন ভিড় নেই। গত বছরের তুলনায় এবছর ক্রেতা উপস্থিতি ও বেচাকেনা অনেকটা ঢিলেঢালা। একই অবস্থা ফুটপাতের দোকানগুলোতেও। তবে ব্যবসায়ীদের আশা, ২০ রমজানের পর থেকে জমজমাট হয়ে উঠবে বাজার। ওই সময় পুরোদমে বোরো ফসলের ধান কাটা শুরু হবে। ধান বিক্রি করে কেনাকাটা করবেন মানুষজন। ঈদ বাজার এখনো জমে না উঠায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হতাশ।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ছেংগারচর বাজারের বিভিন্ন মার্কেট সহ আশপাশের ফুটপাত ঘুরে তেমন ক্রেতা উপস্থিতি দেখা যায়নি।

এশিয়ান ফ্যাশনের বিক্রেতা মিন্টু বলেন, এবার ঈদের বেচাকেনা অন্যান্য বছরের তুলনায় কম। এখনও ঈদ মার্কেট জমেনি। অথচ গত বছরও ঈদুল ফিতরের আগে রমজানের শুরু থেকেই ভালো বেচাকেনা ছিল।

একই কথা বলেন মধ্যবাজারের মদিনা মার্কেটের পোশাক বিক্রেতা শেখ সাদী। তিনি বলেন, গত বছরের ঈদুল ফিতরের ঈদ মার্কেটের তুলনায় এই বছর বেচাকেনা কম। বোরো ফসল কাটা শুরু হয়নি, মানুষের হাতে টাকা নেই। চৈত্র মাসে এমনিতেই অভাব। তবে ২১/২২ রমজানের পর কাপড় চোপড় কিনতে আসবেন ক্রেতারা- এমনটা আশা করছি।

Model Hospital

শহরের সৌদিয়া প্লাজা, দর্জি মার্কেট, নাহার প্লাজা’সহ অন্যান্য কাপড়ের দোকানে বসে অলস সময় কাটছে বিক্রেতাদের। মার্কেটের সামনে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের একই অবস্থা। ভূইয়া মার্কেটের সেতু ফ্যাশনের বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন, এই বছর কাপড়ের প্রতিটা পিসের দাম ৫০-১০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হয়েছে। গত বছর যে ড্রেসের দাম ছিল ৮০০ টাকা, এই বছর একই ড্রেস ৯০০ টাকা করে কিনতে হয়েছে।

নতুন ডিজাইনের ড্রেস মার্কেটে আসছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুনের মধ্যে নাইরা ড্রেস, আবেয়া ড্রেস মার্কেটে এসেছে। তবে বেচাকেনা কম।

মরাদোন গ্রামের মহিলা হালিমা এসেছেন কাপড় কিনতে। তিনি বলেন, কাপড়ের দাম বেশি। কিতা করমু, ঋণপিন কইরা আমার পাঁচ ছেলে-মেয়ে জন্য কাপড় কিনেছি।

রুহিতারপাড় গ্রামের বাসিন্দা নাছির উদ্দিন বলেন, আমার চার ছেলে মেয়ে। আজকে ছোট্ট মেয়েটার জন্য গজের কাপড় কিনেছি। টাকা পয়সা কম। আস্তে আস্তে একজন, দুই জনের কাপড় কিনে ঈদটা করতে হবে। একসাথে কাপড় কিনা সম্ভব নায়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তাঁরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলা এবং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সমবেদনা জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল। খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদ মিয়াজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি সোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাগর, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এএসএম বদরুদ্দোজা দুলাল পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুলতান কাজী প্রমুখ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরান হোসেন মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জিলানী তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মিয়াজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাবের ছিদ্দিকি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ মাহমুদ জিসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গেল মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।